১১ জনের নামে মামলা

রাউজানে যুবদল নেতা হত্যা

১১ জনের নামে মামলা

ফন্ট সাইজ:

চট্টগ্রামের রাউজানে যুবদল নেতা মাসুদুল হক চৌধুরী (৪৫) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ১১ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ৭-৮ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত সোমবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে নিহতের বড় ভাই মুহাম্মদ পিয়ারুল হক চৌধুরী স্বপন বাদী হয়ে রাউজান থানায় মামলাটি করেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মামলায় মোট ১৯ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তবে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত মামলার এজাহারভুক্ত কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।

সন্দেহভাজন হিসেবে মুহাম্মদ জাকির নামে একজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। রাউজান থানার ওসি সাইফুল ইসলাম জানান, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার তদন্ত শুরু হয়েছে এবং ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশ কাজ করছে। এর আগে গত শনিবার দুপুরে উপজেলার পাহাড়তলী ইউনিয়নের চৌমুহনী বাজার এলাকায় প্রকাশ্যে গুলিবর্ষণের ঘটনায় নিহত হন মাসুদুল হক চৌধুরী।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে আসা একদল অস্ত্রধারী তাকে ধাওয়া করে গুলি চালায়। এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, প্রাণ বাঁচাতে দৌড়ানোর সময় একটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে সড়কে পড়ে যান মাসুদ। এরপর হামলাকারীরা তাকে লক্ষ্য করে একাধিক রাউন্ড গুলি ছোড়ে। প্রথম দফায় গুলি চালিয়ে সরে যাওয়ার পর কিছু সময়ের মধ্যে তারা আবার ফিরে এসে পুনরায় গুলিবর্ষণ করে এবং পরে দ্রুত এলাকা ত্যাগ করে। পুলিশের দাবি, হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয়া ব্যক্তিদের পরিচয় ইতিমধ্যে শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হচ্ছে।

নিহত মাসুদুল হক চৌধুরী রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। তিনি রাঙ্গুনিয়ার বেতাগী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান পিয়ারুল ইসলাম চৌধুরী স্বপনের ছোট ভাই এবং প্রয়াত সাবেক চেয়ারম্যান খালেদ চৌধুরীর ছেলে। আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বেতাগী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবেও তিনি আলোচনায় ছিলেন।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন