সকালে এসে সন্ধ্যায় যুক্তরাষ্ট্র ছাড়তে হবে– এমন ধরাবাঁধা নিয়ম ছিল প্রথমে। পরবর্তিত নিয়মে ম্যাচের একদিন আগে মেক্সিকো থেকে দেশটিতে গিয়ে খেলার সুযোগ পায় ইরান। এ ছাড়া ভিসা সংক্রান্ত জটিলতা তো ছিল-ই। এমন রাজনৈতিক চাপের মুখে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করল ইরান। যেখানে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি দু‘বার পিছিয়ে পড়েও নিজেদের প্রথম ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র করেছে।
লস অ্যাঞ্জেলেসের সোফি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের হয়ে এলিজাহ জাস্ট প্রথমার্ধ ও দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে দুটি গোল করেন। তবে ইরান দুইবারই ঘুরে দাঁড়িয়ে সমতা ফেরে। তবে ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ইরানের চেয়ে ৬৫ ধাপ পিছিয়ে থাকা নিউজিল্যান্ড এই ম্যাচে দারুণ খেলেছে ২০১০ এরপরবিশ্বকাপে ফেরা দেশটি।
নানা কারণে উত্তাপ ছড়ানো ম্যাচে সপ্তম মিনিটেই চমকে দেয় নিউজিল্যান্ড। অধিনায়ক ক্রিস উড ইরানের গোলরক্ষককে কাটিয়ে বলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে জাস্টকে বল বাড়ান। তিনি প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়দের ভিড়ের মাঝে দারুণ ভলিতে গোল করেন। এরপর ধীরে ধীরে ম্যাচে ফেরে ইরান। ৩২তম মিনিটে রেজাইয়ান বুটের বাইরের অংশ দিয়ে চমৎকার চিপ শটে গোল করে সমতা ফেরান।
৫৪তম মিনিটে উডের সহায়তায় আবারও গোল করেন জাস্ট। তবে নিউজিল্যান্ডের লিড টিকল স্রেফ ১২ মিনিট। ইরানকে এবার সমতায় ফেরান মোহেবি। রেজাইয়ানের নিখুঁত লম্বা পাস পেয়ে হেডে তিনি গোল করেন। এরপর দুই দল আরও কয়েকটি গোলের সুযোগ তৈরি করলেও কেউ আর সফলতা পায়নি।
গ্রুপ পর্বে ইরানের পরের ম্যাচ ২১ জুন বেলজিয়ামের বিপক্ষে। পরদিন নিউজিল্যান্ডের প্রতিপক্ষ মিসর।
