ছুরিকাঘাতের পর বেলফাস্টজুড়ে অভিবাসনবিরোধী বিক্ষোভ

ছুরিকাঘাতের পর বেলফাস্টজুড়ে অভিবাসনবিরোধী বিক্ষোভ

ফন্ট সাইজ:

উত্তর আয়ারল্যান্ডের রাজধানী বেলফাস্টে মঙ্গলবার শত শত অভিবাসনবিরোধী বিক্ষোভকারী রাস্তায় নেমে আসে। এ সময় কিছু বিক্ষোভকারী যানবাহনে আগুন ধরিয়ে দেয়। এর আগে পুলিশ একটি ছুরিকাঘাতের ঘটনায় সুদানি এক ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করে। ওই হামলায় একজন গলা ও মাথায় গুরুতর আঘাত পান। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার এই হামলাকে ‘বমিভাব সৃষ্টি করা’ বলে বর্ণনা করেন।

হামলার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। এই ছুরিকাঘাতের ঘটনাটি সন্ত্রাসবাদ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে না। এটি এমন এক সময়ে ঘটল, যখন বৃটেনে অভিবাসন ইস্যুতে উত্তেজনা বেড়েছে। এর আগে পুলিশের হেফাজতে থাকা অবস্থায় ছুরিকাঘাতে আহত এক ছাত্রের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে আরও উত্তেজনা তৈরি হয়।

এছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে অভিবাসন নীতি নিয়ে একাধিক বিক্ষোভ হয়েছে। কিছু জনতাবাদী রাজনৈতিক দল দাবি করছে, বৃটেনের আশ্রয়নীতি বিপজ্জনক ব্যক্তিদের দেশে প্রবেশের সুযোগ দিচ্ছে। গত বছর উত্তর আয়ারল্যান্ডে একটি যৌন নির্যাতনের অভিযোগকে কেন্দ্র করে অভিবাসনবিরোধী দাঙ্গাও হয়। সর্বশেষ ঘটনায় শহরের বিভিন্ন স্থানে মুখোশধারী তরুণরা জড়ো হয়। পুলিশ সাঁজোয়া যান মোতায়েন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। বিক্ষোভকারীরা বেশ কয়েকটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এর মধ্যে পূর্ব বেলফাস্টে একটি বাসও রয়েছে। পূর্ব বেলফাস্টের একটি রাস্তায় প্রায় ১০০ জনের একটি দল বাড়ির দরজা ভেঙে ফেলে এবং জানালায় ভাঙচুর চালায়। স্কাই নিউজের ফুটেজে একটি বাড়িতে আগুন জ্বলতে দেখা যায়। এছাড়া লন্ডনের পার্লামেন্ট স্কয়ারেও কয়েক ডজন বিক্ষোভকারী রাস্তা অবরোধ করে।

উত্তর আয়ারল্যান্ড পুলিশের সহকারী প্রধান কনস্টেবল রায়ান হেন্ডারসন সংবাদ সম্মেলনে বলেন, তিনি ঘটনাটিকে গুরুতর পরিস্থিতি হিসেবে ঘোষণা করেছেন। তিনি বলেন, আমি বুঝতে পারছি, এই হত্যাচেষ্টা মানুষের মধ্যে ভয় থেকে শুরু করে রাগ, বিভিন্ন ধরনের অনুভূতি তৈরি করবে। আমি সবাইকে শান্ত থাকার এবং সব সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা বজায় রাখার আহ্বান জানাচ্ছি।

Kazi

২ ঘন্টা আগে

অভিবাসী আফ্রিকান সুদানী মারাত্মক অপরাধ করেছে। তাকে ধরে কঠোর শাস্তি দিতে পারে সরকার। অথবা দেশে ফেরত পাঠাতে ও পারে। আন্দোলন করে গাড়ি পুঁড়ালে নিজের দেশের সম্পদ নষ্ট করে লাভ তো হবে না । বরং দেশের ক্ষতি করছেন আন্দোলন কারিরা।

মন্তব্য করুন