স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টা, ‘নিউক্লিয়াস’-এর প্রতিষ্ঠাতা এবং বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের অন্যতম প্রধান নেপথ্য নায়ক সিরাজুল আলম খান ২০২৩ সালের ৯ই জুন মৃত্যুবরণ করেন। আজ তার তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী।
তিনি কেবল একজন প্রথাবিরোধী রাজনৈতিক সংগঠকই ছিলেন না; বরং জাতি রাষ্ট্র তথা স্বাধীন বাংলাদেশের ধারণাকে একটি অনন্য তাত্ত্বিক, দার্শনিক ও কৌশলগত দিগন্তে উন্নীত করার রূপকার।
বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামের অন্তর্গত শক্তিকে জাগ্রত করা, বাঙালির রাষ্ট্রচিন্তার পুনর্গঠন এবং জাতীয় আত্মপরিচয় বিনির্মাণের প্রশ্নে তার অবদান ইতিহাসের এক অবিচ্ছেদ্য অধ্যায়। ১৯৭১ সালের সশস্ত্র যুদ্ধ, স্বাধীনতা উত্তর জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল গঠন এবং পরবর্তীতে উপনিবেশিক রাষ্ট্র কাঠামোর বিপরীতে রাষ্ট্র রূপান্তরের প্রয়োজনে ‘অংশীদারিত্বের গণতন্ত্র’ তত্ত্বের মতো তার দূরদর্শী রাষ্ট্রভাবনা দেশের বিদ্যমান রাজনীতিতে গভীরভাবে প্রাসঙ্গিক এবং আলোচনার দাবি রাখে।
সিরাজুল আলম খানের প্রয়াণে বাংলাদেশের রাজনৈতিক চিন্তার জগতে যে শূন্যতা তৈরি হয়েছে, তা কেবল শোকের চাদরে ঢাকবার নয়। বরং এটি এক ঐতিহাসিক দায়িত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়Ñ তার রাজনৈতিক দর্শনকে নতুন করে মূল্যায়ন করার, তার তত্ত্বগুলোর পুনর্পাঠ করার এবং নতুন প্রজন্মের কাছে তার বৈপ্লবিক চেতনাকে বস্তুনিষ্ঠভাবে উপস্থাপন করার। ইতিহাসের এই ‘মহৎপ্রাণ’ বাঙালির প্রয়াণ দিবসে তার স্মৃতির প্রতি রইলো গভীর শ্রদ্ধা।
বাংলাদেশের ইতিহাসে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান কেবল একটি ক্ষমতার পরিবর্তন ছিল না; এটি ছিল জাতির গণতান্ত্রিক পুনর্জাগরণ ও নৈতিক জাগরণের এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। এই গণ-অভ্যুত্থান জনগণের দীর্ঘদিনের জমে থাকা ক্ষোভ, বঞ্চনা, অপমান এবং গণতান্ত্রিক আকাক্সক্ষার এক বিস্ফোরিত প্রকাশ।
গণ-অভ্যুত্থানকে অন্তত তিনটি মৌলিক মাত্রায় উপলব্ধি করা যায়। প্রথমত, এটি ছিল অধিকার সচেতনতার এক তারুণ্যদীপ্ত মহাকাব্য। যে প্রজন্মকে দীর্ঘদিন রাজনীতি-বিমুখ বলে মনে করা হয়েছিল, তারাই বুকের রক্ত দিয়ে প্রমাণ করেছে যে স্বাধীনতা, মর্যাদা ও ন্যায়বিচারের প্রশ্নে তারা আপসহীন। বুলেটের সামনে বুক পেতে দেয়া তরুণরা শুধু একটি স্বৈরতান্ত্রিক ব্যবস্থার পতন ঘটায়নি; তারা সমগ্র জাতির বুক থেকে ভয়ের সংস্কৃতিকে ভেঙে দিয়েছে।
দ্বিতীয়ত, এটি ছিল এক অভূতপূর্ব রক্তিম সামাজিক চুক্তি। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শ্রমিক, রিকশাচালক, পেশাজীবী, কৃষক, দিনমজুর ও সাধারণ নাগরিকÑ সবাই এক কাতারে এসে দাঁড়িয়েছিল। এই মিলন কেবল রাজনৈতিক ছিল না; এটি ছিল নৈতিক ও সামাজিক সংহতির এক বিরল উদাহরণ।
তৃতীয়ত, এটি ছিল একটি নতুন রাষ্ট্রব্যবস্থার সূচনা। এই অভ্যুত্থান নাগরিককে তার হারিয়ে যাওয়া মর্যাদা ফিরিয়ে দিয়েছে এবং শিখিয়েছে যে রাষ্ট্র কোনো প্রভুত্বের প্রতিষ্ঠান নয়; এটি জনগণের সম্মতি ও আকাক্সক্ষার ভিত্তিতে পরিচালিত একটি নৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা।
দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের জনগণ এমন একটি রাষ্ট্রকাঠামোর মধ্যে বসবাস করছে, যেখানে নির্বাচন আছে কিন্তু পূর্ণ প্রতিনিধিত্ব নেই; প্রতিষ্ঠান আছে কিন্তু কার্যকর জবাবদিহিতা নেই; সংবিধান আছে কিন্তু জনগণের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ সীমিত। ফলে জনগণের মধ্যে এই উপলব্ধি ক্রমশ শক্তিশালী হয়েছে যে, কেবল সরকার পরিবর্তন যথেষ্ট নয়; রাষ্ট্রের ক্ষমতার কাঠামো এবং রাজনৈতিক সম্পর্কের মৌলিক পুনর্বিন্যাস প্রয়োজন।
এই প্রেক্ষাপটে ‘জাতীয় জুলাই সনদ’Ñএর প্রশ্ন বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। একটি গণ-অভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক মর্যাদা তখনই প্রতিষ্ঠিত হয়, যখন তার আকাক্সক্ষা একটি রাজনৈতিক ও নৈতিক চুক্তিতে রূপান্তরিত হয়। জুলাই সনদ সেই অর্থে কেবল একটি রাজনৈতিক দলিল নয়; এটি গণ-অভ্যুত্থানের নৈতিক অভিপ্রায়ের প্রাতিষ্ঠানিক রূপ।
কিন্তু সংস্কারকে যদি কেবল প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধি, নির্বাচন কমিশনের পুনর্গঠন কিংবা ক্ষমতার সীমিত ভারসাম্য পরিবর্তনের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হয়, তবে সেটি হবে গণ-অভ্যুত্থানের আকাক্সক্ষার সঙ্গে প্রতারণা। কারণ বাংলাদেশের সংকট কেবল ব্যক্তি বা দলের সংকট নয়; এটি রাষ্ট্রকাঠামোর সংকট। উপনিবেশিক আমলাতন্ত্র, কেন্দ্রীভূত ক্ষমতা, দলীয় আধিপত্য, প্রশাসনিক অস্বচ্ছতা এবং নাগরিককে ‘শাসিত প্রজা’ হিসেবে দেখার সংস্কৃতি এখনো বহাল রয়েছে।
এই কারণেই আজ গণভোট প্রশ্নটিও নতুন তাৎপর্য লাভ করেছে। গণভোট এখানে কেবল ভোটের আরেকটি ফর্ম নয়; বরং এটি জনগণের ঈড়হংঃরঃঁবহঃ চড়বিৎ বা মূল সার্বভৌম ক্ষমতার প্রত্যক্ষ প্রকাশ। অর্থাৎ, যখন বিদ্যমান রাজনৈতিক কাঠামো জনগণের আকাক্সক্ষাকে ধারণ করতে ব্যর্থ হয়, তখন জনগণ সরাসরি রাষ্ট্রের মৌলিক রূপ নির্ধারণে অংশ নেয়। এই দৃষ্টিতে গণভোট কোনো বিচ্ছিন্ন টুল নয়; এটি অংশীদারিত্বভিত্তিক গণতন্ত্রের সম্ভাব্য প্রাতিষ্ঠানিক রূপ।
যখন বিদ্যমান রাজনৈতিক কাঠামো জনগণের আকাক্সক্ষাকে ধারণ করতে ব্যর্থ হয়, তখন জনগণ সরাসরি নিজেদের ইচ্ছাকে প্রকাশ করে। নতুন রাষ্ট্রচুক্তি, সাংবিধানিক পুনর্বিন্যাস কিংবা মৌলিক রাষ্ট্রসংস্কারের প্রশ্নে গণভোট তাই নৈতিক বৈধতার শক্তিশালী ভিত্তি হতে পারে।
তবে গণভোট যদি কেবল পুরনো ক্ষমতা কাঠামোকে নতুন বৈধতা দেয়ার হাতিয়ার হয়ে ওঠে, তবে তা প্রকৃত রূপান্তর ঘটাতে পারবে না। গণভোট তখনই অর্থবহ, যখন তা রাষ্ট্রক্ষমতার উৎসকে জনগণের কাছে ফিরিয়ে দেয় এবং ক্ষমতার নতুন বিন্যাসের পথ উন্মুক্ত করে।
এখানেই সিরাজুল আলম খানের রাজনৈতিক দর্শন নতুনভাবে প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠে। তিনি উপলব্ধি করেছিলেন যে, কেবল ক্ষমতার পালাবদল বা ভৌগোলিক স্বাধীনতা জনগণের প্রকৃত মুক্তি নিশ্চিত করতে পারে না। সেই কারণেই তিনি বাংলাদেশের আর্থসামাজিক বাস্তবতা ও ঐতিহাসিক অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে ‘অংশীদারিত্বের গণতন্ত্র’ ধারণার বিকাশ ঘটান।
সিরাজুল আলম খান-এর রাজনৈতিক দর্শনে রাষ্ট্র পরিচালনা মানে কেবল রাজনৈতিক দলের একচেটিয়া কর্তৃত্ব নয়; বরং সমাজের জ্ঞানভিত্তিক, উৎপাদনশীল ও সৃজনশীল শক্তিসমূহের সক্রিয় অংশগ্রহণ। শিক্ষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, কৃষিবিদ, আইনজীবী, সাংবাদিক, প্রযুক্তিবিদ, সংস্কৃতিকর্মী, উদ্যোক্তা, শ্রমজীবী ও স্থানীয় অভিজ্ঞতাসম্পন্ন নাগরিক সমাজÑ সকলের সম্মিলিত অংশগ্রহণের মাধ্যমেই রাষ্ট্রের নৈতিক ভিত্তি শক্তিশালী হতে পারে। জনগণ কেবল ভোটের মাধ্যমে নয়; নিজেদের জ্ঞান, শ্রম ও অভিজ্ঞতার মাধ্যমেও রাষ্ট্রের অংশীদার।
এই দর্শনের কেন্দ্রীয় বক্তব্য হলো- জনগণ কেবল পাঁচ বছর পর পর ভোট দেয়ার যন্ত্র নয়; রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি স্তরে জনগণের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণই প্রকৃত গণতন্ত্র। প্রচলিত প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রে জনগণ ক্ষমতার উৎস হলেও বাস্তব ক্ষমতার অংশীদার নয়। ফলে গণতন্ত্র ধীরে ধীরে জনগণের সার্বভৌমত্ব থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।
সিরাজুল আলম খানের চিন্তার আরেকটি বৈশিষ্ট্য ছিলÑ তিনি রাজনীতিকে কেবল দল ও নির্বাচনের প্রশ্ন হিসেবে দেখেননি; বরং সমাজের সংগঠিত শক্তিগুলোর জাগরণ হিসেবে দেখেছিলেন।
২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান এই ধারণার বাস্তব প্রতিধ্বনি হয়ে উঠেছিল। শিক্ষক, শিক্ষার্থী, পেশাজীবী, শ্রমজীবী মানুষ ও সাধারণ নাগরিক সমাজ এক অভূতপূর্ব নৈতিক ঐক্যে যুক্ত হয়েছিল। এর মাধ্যমে স্পষ্ট হয়েছে যে, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রচিন্তা আর কেবল দলকেন্দ্রিক রাজনীতির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে পারে না।
এই কারণেই আজ রাষ্ট্র ও সরকারের পার্থক্য পুনরুদ্ধার করা জরুরি। সরকার পরিবর্তন রাষ্ট্র রূপান্তরের সমার্থক নয়। রাষ্ট্রের প্রকৃত মালিক জনগণÑ কোনো দল বা গোষ্ঠী নয়।
একইভাবে ‘রাষ্ট্র সংস্কার’ যদি শুধু প্রশাসনিক দক্ষতা বা নির্বাচন ব্যবস্থার কারিগরি পরিবর্তনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে, তাহলে সেটি সিরাজুল আলম খানের চিন্তার গভীরতার সঙ্গে মেলে না। তার দৃষ্টিতে রাষ্ট্রসংস্কার মানে হলো ক্ষমতা কাঠামোর পুনর্বিন্যাস, অংশগ্রহণের বিস্তৃতি এবং রাষ্ট্রকে দলীয় একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ থেকে মুক্ত করা।
সুতরাং সম্পর্কটা এভাবে দাঁড়ায়-
গণভোট= জনগণের সরাসরি সার্বভৌম অভিব্যক্তি
রাষ্ট্রসংস্কার= ক্ষমতার কাঠামোগত পুনর্বিন্যাস
অংশীদারিত্বের গণতন্ত্র= এই দুইয়ের দার্শনিক ভিত্তি
যদি এগুলো জনগণের ক্ষমতায়ন, বিকেন্দ্রীকরণ এবং অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করার দিকে যায়Ñ তবেই তা তার চিন্তার সঙ্গে সত্যিকারের সঙ্গতিপূর্ণ হবে।
প্রকৃত রাষ্ট্র রূপান্তর মানে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন। প্রকৃত রাষ্ট্র রূপান্তর মানে নতুন রাজনৈতিক সম্পর্ক। প্রকৃত রাষ্ট্র রূপান্তর মানে রাষ্ট্রের মালিকানার পুনর্গঠন।
রাষ্ট্রকে রাজধানীকেন্দ্রিক কাঠামো থেকে বের করে জেলা, উপজেলা ও স্থানীয় পর্যায়ে প্রকৃত ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে। স্থানীয় সরকারকে কার্যকর রাজনৈতিক ও আর্থিক ক্ষমতা দিতে হবে। গণশুনানি, অংশগ্রহণমূলক বাজেট এবং গণভোটের মতো ব্যবস্থা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হবে।
বাংলাদেশ আজ এক ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। এখন সিদ্ধান্ত নিতে হবেÑ রাষ্ট্র কি কেবল ক্ষমতার পালাবদলের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে, নাকি প্রকৃত রাষ্ট্র রূপান্তর ঘটবে?
যদি সংস্কার কেবল শাসকের মুখ পরিবর্তনে সীমাবদ্ধ থাকে, তবে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আত্মত্যাগ একসময় রাজনৈতিক হতাশায় রূপ নেবে। কিন্তু যদি এই মুহূর্তকে কাজে লাগিয়ে একটি অংশগ্রহণমূলক, জবাবদিহিমূলক ও নৈতিক রাষ্ট্রগঠন করা যায়, তবে বাংলাদেশ একটি নতুন রাজনৈতিক যুগে প্রবেশ করবে।
এই রূপান্তরের লক্ষ্য কেবল উন্নত প্রশাসন নয়; বরং একটি নৈতিক প্রজাতন্ত্রÑ যেখানে রাষ্ট্র জনগণের ওপর কর্তৃত্ব করে না, বরং জনগণের সম্মিলিত ইচ্ছার সাংবিধানিক প্রকাশে পরিণত হয়।
এই দৃষ্টিকোণ থেকে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ এবং ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থান একই ঐতিহাসিক ধারার দুটি অধ্যায়- একটি স্বাধীনতার জন্য, অন্যটি গণতান্ত্রিক পুনর্গঠনের জন্য।
আজকের বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ হলো রাষ্ট্র ও জনগণের বিচ্ছিন্নতা অতিক্রম করা। জনগণকে সক্রিয় অংশীদারে পরিণত করার মাধ্যমেই একটি দায়িত্বশীল রাষ্ট্র গঠন সম্ভব। সিরাজুল আলম খানের দর্শনের প্রাসঙ্গিকতা এখানেই নিহিত- তিনি রাষ্ট্রকে জনগণের যৌথ প্রজ্ঞা ও অংশগ্রহণের সংগঠিত রূপ হিসেবে কল্পনা করেছিলেন।
অংশীদারিত্বের গণতন্ত্র, ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ এবং জনগণের মালিকানাভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে সিরাজুল আলম খানের ‘অংশীদারিত্বের গণতন্ত্র’ কি আর শুধু একটি রাজনৈতিক তত্ত্ব, নাকি এক ঐতিহাসিক প্রয়োজন?
যতদিন জনগণের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ, ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ এবং রাষ্ট্রের ওপর জনগণের প্রকৃত মালিকানা প্রতিষ্ঠার প্রশ্ন অমীমাংসিত থাকবে, ততদিন সিরাজুল আলম খানের তত্ত্ব ও দর্শন বাংলাদেশের রাষ্ট্রচিন্তায় প্রাসঙ্গিকই নয়, ক্রমশ আরও অপরিহার্য হয়ে উঠবে।
লেখক: গীতিকবি
[email protected]
