দীর্ঘ সময় পরিচালনা কমিটি না থাকায় অরক্ষিত হয়ে পড়ে সরাইল পাবলিক লাইব্রেরিটি। এ সুযোগে এটি মাদকসেবী ও চোরদের আস্তানায় পরিণত হয়। চুরি হয়ে যায় লাইব্রেরির সকল রেকর্ডপত্র ও রক্ষিত ২ হাজার ৫ শতাধিক বই। হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হতে থাকে স্থানীয় সাহিত্য সংস্কৃতিমনা ব্যক্তিবর্গ ও গণমাধ্যমকর্মীদের। এ বিষয়ে গত ২৫শে এপ্রিল জাতীয় দৈনিক মানবজমিন পত্রিকায় ‘সরাইল পাবলিক লাইব্রেরির ২৫০০ বই গায়েব’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। দৃষ্টিগোচর হয় উপজেলা প্রশাসনের। আশ্বাস রক্ষা করে দ্রুততম সময়ের মধ্যেই লাইব্রেরিটির পাশে দাঁড়িয়েছেন সরাইল উপজেলা প্রশাসন। ইতিমধ্যে চলছে সংস্কার কাজ।
আশার আলো দেখছেন সরাইলবাসী। সরাইল উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি আনিছুল ইসলাম ঠাকুর বলেন, লাইব্রেরিটি আবার পূর্বের রূপ ধারণ করছে ভেবে খুবই ভালো লাগছে। প্রধানমন্ত্রী দেশনায়ক তারেক রহমানের আমলে এমন গুরুত্বপূর্ণ কাজটি হাতে নেয়ায় ইউএনও মহোদয়কে ধন্যবাদ। নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, বর্তমান বরাদ্দে কাজ সম্পন্ন না হলে পুনরায় নতুন বরাদ্দ দেয়া হবে। আল্লাহ্র রহমতে সকলের সহযোগিতায় এটিকে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনবো। আবার এখানে সুন্দর মনোরম পরিবেশে প্রভাষক শিক্ষক কবি সাহিত্যিক সাংবাদিক লেখক কলামিস্ট ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিদের বই পড়ার আড্ডা হবে। এখানে আসবে সরাইলের স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা। বিকালে ও রাতে জমবে জ্ঞান অর্জনের মিলন মেলা। আবার হাসবেন লাইব্রেরি সংশ্লিষ্ট গোটা সরাইলবাসী।
