ময়মনসিংহে ২৪ ঘন্টায় ৬ জনের অস্বাভাবিক মৃত্যু

ফন্ট সাইজ:

ময়মনসিংহে বজ্রপাতে, সাপের কামড়, পানিতে ডুবে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
মুক্তাগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. কামরুল হাসান বলেন, শিক্ষক খালেকুল আজাদ মুক্তাগাছা পৌর শহরের হৃদয়মোড়ে পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন। তার পিতার নাম মৃত ইছব আলী। বেলা সাড়ে ১২টার দিকে গ্রামের বাড়ি রৌহারচরে ছিলেন তিনি। সড়কে হাঁটাহাঁটি করার একপর্যায়ে বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি।

পাগলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম বলেন, সকালে গফরগাঁওয়ের লামকাইন গ্রামে বাড়ির আঙিনায় দাড়িয়ে ছিল সিয়াম। তার পিতার নাম রুকন উদ্দিন। আকাশ মেঘাচ্ছন্ন ছিল। এসময হঠাৎ করেই বজ্রপাতে সিয়াম গুরুতর আহত হয়। পরে পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে, গফরগাঁওয়ের চর আলগী ইউনিয়ন থেকে ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে করেছে উপ-পরিদর্শক (এসআই) ফরিদ উদ্দিন। তিনি বলেন, মাত্র ঘটনাস্থলে এসে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনো নিহতের নাম পরিচয় পাওয়া যায়নি। বিস্তারিত পরে বলা যাবে বলেও জানান তিনি।
ফুলপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জহিরুল ইসলাম বলেন, বুধবার বিকালে দুই বান্ধবী বাড়ির পাশে নদীতে গোসল করতে নামে। দু’জনের একজন গোসল করে উঠে আসলেও মরিয়ম পানিতে তলিয়ে যায়। বৃহস্পতিবার সকালে মরদেহ নদীতে ভেসে উঠে। পরে স্থানীয়রা মরদেহ উদ্ধার করে। নিহত মরিয়ম সিংহেশ্বর ইউনিয়নের ধনারভিটা মাইজপাড়া গ্রামের হারেজ আলীর মেয়ে তার বযস ৬ বছর।

ভালুকা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জাহেদুল ইসলাম বলেন, ভাসমান ওই নারী কাচিনা এলাকায় বসবাস করতেন। ধারণা করা হচ্ছে গতকাল রাত থেকে আজ ভোররাতের কোন এক সময় সাপের কামড়ে তার মৃত্যু হয়েছে। সকারে খবর পেয়ে কাচিনা থেকে ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার পরিচয় জানতে পিবিআই পুলিশ এসে ফিঙ্গারপ্রিন্ট নিয়েছিল। তবে, ফিঙ্গার প্রিন্টেও ওই নারীর পরিচয় মিলেনি। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

গৌরীপুর থানার উপ-পরিদর্শক রফিকুল ইসলাম বলেন, গতকাল বুধবার বিকালে উপজেলার ভাংনামারি ইউনিয়নের তিন বন্ধু বাড়ির পাশে ব্রহ্মপুত্র নদে সাতার কাটতে নামে। এসময় মোকরামিন পানিতে তলিযে যায়। অপর দুই বন্ধু তীরে এসে স্থানীয় লোকজন জানালে তারা খোঁজাখুজি করেও তার কোন সন্ধ্যান পায়নি। পরে আজ সকালে মরদেহ ভেসে উঠে। খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করি। নিহত মোকরামিন বযস (২৪) বছর। সে একই এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে।

ট্যাগসমূহ:

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন