তালতলী উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ে চুরি

তালতলী উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ে চুরি

ফন্ট সাইজ:

ঈদের ছুটির মধ্যে বরগুনার তালতলী উপজেলা পরিষদ কার্যালয় থেকে পাঁচটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার (এসি) গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ চুরির ঘটনা ঘটেছে। এতে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার দুপুরে অজ্ঞাতনামা আসামি করে তালতলী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন তালতলী উপজেলা পরিষদের সাঁট মুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর মো. গোলাম কবির সাগর।

এজাহার সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ের বিভিন্ন দপ্তরে দাপ্তরিক কাজের সুবিধার্থে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (এসি) স্থাপন করা রয়েছে। ঈদ উপলক্ষে গত ২৬শে মে থেকে ছুটি শুরু হওয়ার পর গত ১লা জুন অফিস পুনরায় খোলে এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কাজে যোগ দেন।

প্রাথমিকভাবে সবকিছু স্বাভাবিক মনে হলেও গত ৩রা জুন কৃষি অফিসারের কক্ষের এসি চালু করতে গিয়ে দেখা যায় সেটি কাজ করছে না। তখন কৃষি অফিসার নিজেই বিষয়টি খতিয়ে দেখতে ভবনের ছাদে যান। সেখানে গিয়ে তিনি দেখতে পান, ছাদে থাকা মোট ছয়টি এসির আউটডোরের মধ্যে পাঁচটি এসির গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ চুরি করে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে উপজেলা পরিষদের মতো একটি সুরক্ষিত ও গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দপ্তরে সিসি ক্যামেরা এবং নৈশপ্রহরী থাকার পরেও কীভাবে এমন চুরির ঘটনা ঘটলো, তা নিয়ে স্থানীয় সচেতন মহলে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তালতলী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবু জাফর মো. ইলিয়াস বলেন, গত ৩রা জুন সকালে ছাদে গিয়ে দেখি আউটডোর ইউনিটের বিভিন্ন অংশ কাটাছেঁড়া করা ভেতরের মূল্যবান যন্ত্রাংশ চুরি হয়েছে। পরে বিষয়টি ইউএনও মহোদয়কে অবগত করেছি। এ বিষয়ে তালতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, চুরির বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সিসি ক্যামেরা চেক করা হচ্ছে।

এ ছাড়াও নাইটগার্ডদের শোকজ করা হয়েছে। চুরির ঘটনায় থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। তালতলী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাইদুল ইসলাম বলেন, উপজেলা পরিষদ কার্যালয় থেকে এসির যন্ত্রাংশ চুরির ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে চোর চক্রটিকে শনাক্ত ও চোরাই মাল উদ্ধারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ট্যাগসমূহ:

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন