গাজীপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড ইউনিটের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আমন্ত্রিত প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক মো. নূরুল করিম ভূঁইয়া নির্ধারিত সময়ে না আসায় চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন মুক্তিযোদ্ধা নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠান শেষের প্রায় আধা ঘণ্টা পর জেলা প্রশাসক সেখানে উপস্থিত হয়ে দেরিতে আসার কারণ উল্লেখ করে বিষয়টি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখার আহ্বান জানান। বৃহস্পতিবার সকালে জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড ইউনিটের উদ্যোগে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
এতে জেলা সংসদের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে বীর মুক্তিযোদ্ধা এস কে জবিউল্লাহসহ নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। আলোচনা সভা শেষে শহীদ জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভার সমাপনী বক্তব্যে আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম বলেন, নিজে দিন তারিখ নির্ধারণ করে প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক ও বিশেষ অতিথি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক না এসে আমাদের মনে চরম কষ্ট দিয়েছেন। এর প্রতিফলন এই দুনিয়াতেই পাবেন। আমরা দুঃখ পেয়েছি, কষ্ট পেয়েছি। তিনি জরুরি কাজে ব্যস্ত থাকলে ফোন করে জানতে পারতেন। কিন্তু তাও করেননি।
আমরা এর প্রতিবাদ জানালে তারা বলবেন, আমরা আওয়ামী লীগের দালাল। আমরা মুক্তিযোদ্ধারা এদেশের অভিভাবক। আমরা মুক্তিযুদ্ধ করেছি বলেই তারা ডিসি-এসপি হতে পেরেছেন। ক্ষোভ প্রকাশ করে বক্তব্য রেখে দোয়া মাহফিল শেষে অনুষ্ঠানের পর তবারক মিষ্টি বিতরণ করা হয়। এরপর সমাগত মুক্তিযোদ্ধাদের অধিকাংশই অনুষ্ঠান ছেড়ে চলে যান। এর কিছুক্ষণ পর জেলা প্রশাসক মো. নূরুল করিম ভূঁইয়া সংসদের হল রুমে পৌঁছান। তিনি জেলা ও দেশের উন্নয়ন সংক্রান্ত জরুরি কাজে গিয়েছিলেন উল্লেখ করে বিষয়টি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখার আহ্বান জানান এবং মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে সব সময় তাদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন।
