ময়মনসিংহে ধোবাউড়ায় পরিবহন সিন্ডিকেটে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। গাড়ি না থাকায় ঈদ পরবর্তী মানুষজন ট্রাক এবং পিকআপে করে কর্মস্থলে ফিরতে হচ্ছে। চরম অব্যবস্থাপনায় সিএনজি অটোরিকশা স্টেশনে চরম হয়রানির শিকার হচ্ছেন যাত্রীরা। ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থেকেও সিএনজি পাচ্ছেন না তারা।
যাত্রীদের অভিযোগ, অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের লক্ষ্যে স্টেশন থেকে সরিয়ে রাখা হয়েছে সকল সিএনজিচালিত অটোরিকশা। বেশি ভাড়া দিলে সিএনজি এনে যাত্রী নেয়া হয়। লক্কর-ঝক্কর বাসে ভোগান্তি পড়ার কারণে মানুষ সিএনজিতে যেতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে। এই সুবাদে সিএনজি চালকরা যাত্রীদের জিম্মি করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছেন।
ধোবাউড়া থেকে নিয়মিত ভাড়া দেড়শ’ টাকা, সেখানে নেয়া হচ্ছে চারশ’ টাকা। বৃহস্পতিবার দুপুরে ধোবাউড়া সিএনজি অটোরিকশা স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, অসংখ্য যাত্রী অপেক্ষা করছেন গাড়ির জন্য। কিন্তু স্টেশন ফাঁকা। মানুষজন গাড়ি না পেয়ে বাধ্য হয়ে পিকআপ এবং ট্রাকে করে কর্মস্থলে যান। ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ভাড়া নিয়ে উপজেলা প্রশাসন এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ মিটিং করে নির্ধারিত ভাড়া আদায়ের নির্দেশনা দেন। কিন্তু তা অমান্য করে পরিবহন সিন্ডিকেট করে যাত্রীদের জিম্মি করা হয়েছে। এসব দেখার যেন কেউ নেই। শাহজাহান নামে এক যাত্রী জানান, ঈদের ছুটি কাটিয়ে ঢাকায় ফেরার উদ্দেশ্যে ধোবাউড়া এসে দেখি কোনো সিএনজি নাই, পুরো স্টেশন ফাঁকা। আল-আমিন নামে আরেকজন বলেন, আমি গাড়ি না পেয়ে পিকআপে করে ঢাকায় যাচ্ছি। স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা অসংখ্য যাত্রী জানান, অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের জন্য সিএনজি স্টেশনে না রেখে অন্য জায়গায় রেখেছে। অতিরিক্ত টাকা দিলেই গাড়ি এসে যাত্রী তুলে নিয়ে যায়। এ ব্যাপারে সিএনজির স্টেশন মাস্টার সুমন বলেন, গাড়ি সব ময়মনসিংহ চলে গেছে এজন্য ফাঁকা। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোশাররফ হোসাইন বলেন, সিএনজি মালিক সমিতির সঙ্গে কথা বলে ব্যবস্থা নেবো।
