শিল্পোন্নয়ন, শিক্ষা বিস্তার ও মানবকল্যাণ- এই তিন ক্ষেত্রেই সমান দক্ষতা ও নিষ্ঠার স্বাক্ষর রেখে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের মানুষের আস্থা ও ভালোবাসার প্রতীকে পরিণত হয়েছেন সলিমপুর ইউনিয়নের সৈয়দ মোহাম্মদ তানভীর। দেশের অন্যতম শীর্ষ পোশাক রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান প্যাসিফিক জিন্স গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে তিনি একটি বৃহৎ শিল্প প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্ব দেয়ার পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও সামাজিক উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।
চট্টগ্রাম ইপিজেডভিত্তিক এ প্রতিষ্ঠান বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের ডেনিম শিল্পের অন্যতম প্রতিনিধিত্বকারী প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। তানভীরের পিতা মরহুম মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন ছিলেন দেশের ডেনিম শিল্পের অন্যতম পথিকৃৎ ও প্যাসিফিক জিন্স গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা। ২০২২ সালে তার মৃত্যুর পর দ্বিতীয় প্রজন্মের প্রতিনিধি হিসেবে প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব নেন সৈয়দ মোহাম্মদ তানভীর। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির সাতটি আধুনিক কারখানায় হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। শিল্পের পাশাপাশি শিক্ষা বিস্তারেও রয়েছে তাদের পরিবারের উল্লেখযোগ্য অবদান। মরহুম নাসির উদ্দিন প্রতিষ্ঠা করেন বাড়বকুণ্ড হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের কলেজ শাখা।
বর্তমানে প্যাসিফিক জিন্স ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে মেধাবী ও অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের বৃত্তি, উচ্চশিক্ষায় ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও আর্থিক সহায়তা দেয়া হচ্ছে নিয়মিত। স্বাস্থ্যসেবাতেও রয়েছে তাদের মানবিক উদ্যোগ। প্যাসিফিক জিন্স ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহযোগিতায় সুবিধাবঞ্চিত রোগীদের চিকিৎসা সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করছে, যার সুফল পাচ্ছেন সীতাকুণ্ডের অনেক দরিদ্র মানুষ। ঘনিষ্ঠজনদের মতে, তানভীর একজন দূরদর্শী, বিনয়ী ও নীতিবান উদ্যোক্তা। ছাত্রজীবন থেকেই কারখানার বিভিন্ন বিভাগে কাজ করে তিনি শিল্প পরিচালনার বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। ফলে শ্রমিক-কর্মচারীদের সমস্যা ও প্রত্যাশা সম্পর্কে তার রয়েছে গভীর উপলব্ধি। কুমিরা ইউনিয়ন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি ও কুমিরা ইউপি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন মানবজমিনকে বলেন, তানভীর মানবিক একজন মানুষ। তিনি নীরবে মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন। শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান, শিক্ষা ও সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডের সমন্বয়ে তানভীর শুধু একজন সফল শিল্পোদ্যোক্তা নন। তিনি সীতাকুণ্ডের মানুষের আশা, আস্থা ও সম্ভাবনার এক উজ্জ্বল প্রতীক। পিতার স্বপ্ন ও আদর্শকে ধারণ করে তিনি এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন উন্নয়ন ও মানবকল্যাণের এক অনন্য যাত্রা।
