রোদের দাপটে অসহায় মানুষ সড়কে গণপরিবহন কম

ফন্ট সাইজ:

পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটি শেষ? হয়েছে ৩১শে মে। পহেলা জুন থেকে সরকারি-বেসরকারি অফিস আদালত খোলা হয়েছে। এ ছাড়া শিল্পাঞ্চল সাভার-আশুলিয়ার তৈরি পোশাক কারখানাগুলোর ছুটিও ১লা জুন শেষ হয়েছে এবং কারখানাগুলো পুরোদমে চালু রয়েছে। তবে কিছু কিছু কারখানায় কাজের চাপ না থাকায় সেগুলোর শ্রমিকরা এখনো গ্রাম থেকে ফেরেনি। তাই শিল্পাঞ্চলের কোথাও আগের চিরচেনা ভিড় লক্ষ্য করা যায়নি।

জানা গেছে, ঈদের ছুটি নির্বিঘ্ন করতে শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ার কারখানাগুলোতে গত মে মাসের শেষ সপ্তাহে ১০ দিনের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল। ছুটি শেষ হওয়ার পর সোমবার থেকে শ্রমিকরা কারখানায় কাজে যোগ দিতে শুরু করেছেন। অনেকেই গাড়ি না পেয়ে দেরিতে বাড়ি গিয়েছে এবং অনেক কারখানায় কাজ না থাকায় এখনো শ্রমিকরা ফেরেনি- তাই শ্রমিক কলোনিসহ শিল্পাঞ্চলে ঈদের আমেজ চলছে। এদিকে ঈদের ছুটিতে যারা বাড়ি গিয়েছিলেন ইতিমধ্যেই ছুটি শেষে ঢাকায় ফিরে কর্মস্থলে যোগদান করেছেন।

সড়কে যানবাহনের চাপ তেমন একটা লক্ষ্য করা যায়নি। রোদের প্রচণ্ড দাবদাহে অসহায় হয়ে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। যে কারণে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া অনেকেই ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না। অফিস-আদালতেও সেবাপ্রত্যাশীদের উপস্থিতি কম দেখা গেছে। যেসব গাড়ি বর্তমানে রাস্তায় চলাচল করছে- সেগুলোতেও যাত্রীর সংখ্যা তুলনামূলক কম। সাভার পরিবহনের কন্ট্রাকটর আজমত উল্লাহ বলেন, গাড়িতে যাত্রী তুলনামূলক কম। যা আছে লোকাল যাত্রী। এতে তেলের টাকাই উঠছে না।

বাসের যাত্রী জুলহাস মিয়া জানান, গাবতলী থেকে নবীনগর যাওয়ার জন্য পরিবার নিয়ে সাভার পরিবহনের বাসে উঠি। কিন্তু যাত্রী না থাকায় আমাদের পাকিজার সামনে নামিয়ে দিলো। এখন আবার অন্য গাড়িতে করে নবীনগর যেতে হবে। পুলিশ জানায়, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার ফিরতি যাত্রায় চাপ তুলনামূলক কম থাকায় যাত্রীরা স্বস্তিতেই রাজধানীতে ফিরতে পারছেন। এ ছাড়া অনেকেই ধাপে ধাপে ফেরার কারণে যাত্রীর চাপও তুলনামূলক কম। ঢাকা জেলা পুলিশের টিআই রুহুল আমিন সোহেল বলেন, ঈদের ছুটি শেষে সবাই নির্বিঘ্নে বাড়ি থেকে ফিরছেন। এবার পোশাক কারখানায় ধাপে ধাপে ছুটি হওয়ায় সবাই ধাপে ধাপে ফিরে আসার কারণে কোথাও কোনো যানজটের সৃষ্টি হয়নি। এ ছাড়া যাত্রীদের চলাচল স্বাভাবিক রাখতে আমরা সর্বক্ষণ মাঠে আছি।

ট্যাগসমূহ:

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন