নজর কাড়ছে ‘কালু’

নজর কাড়ছে ‘কালু’

ফন্ট সাইজ:

ঘনিয়ে আসছে পবিত্র ঈদুল আজহা। এই ঈদে ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত হয়ে গবাদি পশু কোরবানি দেবেন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা। ঈদকে সামনে রেখে ভোলার লালমোহন উপজেলার খামারিরা এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন। বিভিন্ন খামারে চলছে গবাদি পশুর পরিচর্যা ও বাজারজাতের শেষ প্রস্তুতি। আশানুরূপ দাম পেতে দিন-রাত পরিশ্রম করছেন গবাদিপশুর মালিকরা। ক্রেতা-বিক্রেতাদের হাঁকডাক আর পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে পশুর হাটগুলো। তবে এরমধ্যে একটি ফ্রিজিয়ান জাতের গরু সবার নজর কেড়েছে। গ্রামীণ পরিবেশে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে পরম যত্নে লালন-পালন করা ওই গরুটির নাম ‘কালু’ রেখেছেন মালিক।

গরুটির ওজন অন্তত ১৫ মণ। গরুটি উপজেলার চরভূতা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের হাজীগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা মো. বাবুলের। কুচকুচে কালো রঙ, সুঠাম দেহ আর শান্ত স্বভাবের কারণে এবারের ঈদুল আজহায় লালমোহনের আকর্ষণ গরুটি। মালিক গরুটির দাম হেঁকেছেন ৫ লাখ টাকা। ওই গরুর মালিক বাবুল জানান, প্রায় চার বছর আগে মাত্র আট মাস বয়সে ফ্রিজিয়ান জাতের এই গরুটি কিনে আনি। গরুটির গায়ের রঙ কালো হওয়ায় নাম দিয়েছি ‘কালু’। বর্তমানে গরুটির ওজন ১৫ মণের মতো। গম-ডালের ভূসি, খড়, চিটাগুড়সহ বিভিন্ন পুষ্টিকর খাবার খাইয়ে সম্পূর্ণ গ্রামীণ পরিবেশে পরম যত্নে লালন-পালন করে গরুটিকে বড় করেছি।

তিনি আরও বলেন, গরুটি ইতিমধ্যে কয়েকটি হাটে তুলেছি। গরুটির দাম দিয়েছি ৫ লাখ টাকা, তবে ক্রেতারা এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ ২ লাখ ৯০ হাজার টাকা বলেছেন। ক্রেতাদের সঙ্গে দামে বনিবনা হলে আরও কিছুটা কম মূল্যে গরুটি বিক্রি করে দেবো। অপরদিকে, এ বছরের ঈদুল আজহায় লালমোহনে ১৬ হাজার ৭৪১টি কোরবানিযোগ্য পশু প্রস্তুত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর কর্তৃপক্ষ।

যার মধ্যে-ষাঁড় ৫ হাজার ৫৫০টি, বলদ ৩ হাজার ৭৭০টি, গাভী ১ হাজার ১০০টি, মহিষ ৬৭৫টি, ছাগল ৪ হাজার ৯৫৫টি, ভেড়া ৬৯১টি। তবে উপজেলায় এ বছর কোরবানিতে চাহিদা রয়েছে ১০ হাজার ৭৪০টি পশুর। উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ও ভেটেরিনারি সার্জন ডা. মো. গোলাম মোস্তফা বলেন, কোরবানি উপলক্ষ্যে কেউ যেন অসাধু উপায়ে পশুকে মোটাতাজার লক্ষ্যে স্টেরয়েড ব্যবহার করতে না পারে সেদিকে আমরা লক্ষ্য রাখছি। যার জন্য উপজেলার প্রতিটি পশুর হাট নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে।

ট্যাগসমূহ:

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন