হরমুজ প্রণালি ঘিরে নতুন করে কূটনৈতিক উত্তেজনা এখন তুঙ্গে। সম্প্রতি ইরান দাবি করেছে, তারা হরমুজের কাছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের জলসীমা নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। তবে আরব আমিরাত ইরানের এমন দাবির কড়া নিন্দা জানিয়েছে।
দেশটির প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা আনোয়ার গারগাশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে বলেন, ইরান যুদ্ধক্ষেত্রে পরাজয়ের পর নতুন বাস্তবতা তৈরির চেষ্টা করছে, কিন্তু হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণ বা আমিরাতের সামুদ্রিক সার্বভৌমত্বে হস্তক্ষেপের চেষ্টা শুধুই তাদের এক দিবাস্বপ্ন।
ইরানের পক্ষ থেকে সম্প্রতি হরমুজ প্রণালি তদারকির জন্য গঠিত নতুন সংস্থা একটি মানচিত্র প্রকাশ করে। তেহরান দাবি করে, তাদের নিয়ন্ত্রিত অঞ্চল আমিরাতের ফুজাইরা বন্দরের দক্ষিণ দিক পর্যন্ত বিস্তৃত।
সংস্থাটি জানায়, ওই এলাকায় হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের জন্য ইরানি কর্তৃপক্ষের অনুমতি প্রয়োজন হবে।
বিশ্ব বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে চলাচল ইরানের বিরুদ্ধে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাতের পর থেকে আরও জটিল হয়ে উঠেছে।
ইরান বলছে, হরমুজ দিয়ে চলা জাহাজগুলোকে এখন তাদের সশস্ত্র বাহিনীর অনুমতি নিতে হবে এবং কিছু ক্ষেত্রে ফি দিতে হতে পারে।
তবে আরব আমিরাত সরকার স্পষ্ট জানিয়েছে, তারা এই ধরনের নিয়ন্ত্রণমূলক দাবির বিরোধিতা করে এবং নৌপথে অবাধ চলাচল নিশ্চিত করতে যৌথ আন্তর্জাতিক পদক্ষেপ চায়।
এ ছাড়া এমন উত্তেজনার মধ্যেই আবুধাবি ঘোষণা করেছে যে, তারা ফুজাইরার মাধ্যমে হরমুজ এড়িয়ে নতুন একটি পাইপলাইন প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন করছে। এটি দেশটির তেল রপ্তানি সক্ষমতা দ্বিগুণ করবে।
