চরফ্যাশনে ২ জামায়াত নেতাকে হাত-পা বেঁধে নির্যাতন

চরফ্যাশনে ২ জামায়াত নেতাকে হাত-পা বেঁধে নির্যাতন

ফন্ট সাইজ:

চরফ্যাশনে আছলামপুরে স্থানীয় জামায়াত কর্মী জলিল ও মাহবুবকে বিএনপি অফিসে আটকে রেখে হাত পা বেঁধে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
মঙ্গলবার রাত ৯টায় আছলামপুর ইউনিয়নের আবুগঞ্জ বাজারে বিএনপি অফিসে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় আছলামপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি ও উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সাবেক সভাপতি মাওলানা মাহবুবকেও পিটিয়ে আহত করা হয়।

ঘটনার খবর পেয়ে চরফ্যাশন থানা পুলিশ তাদের উদ্ধার করে। এ সময় অফিসের মধ্য পাওয়া বেশ কিছু লাঠি ও পাইপ জব্দ করা হয়।
চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন জলিল জানান, আমি ও মাহবুব ভাই এশার নামাজ পড়ে আবুগঞ্জ বাজারের একটি দোকানে চা পান করে বের হতেই যুবদল নেতা শাহীন আমাকে কথা আছে বলে তার দোকানের পিছনে ডেকে নিয়ে যান।

আমি কিছু বুঝে উঠার আগেই তার বাহিনীর তারেক, মোতাহার, নুরু, জসিম, শাহাবুদ্দিন, ফয়সাল আমাকে লাঠি দিয়ে পিটাতে থাকে। আমাকে বাঁচাতে আমার সাথে থাকা মাওলানা মাহবুবুর রহমান এগিয়ে আসলে তাকেও পিটিয়ে আহত করে। শাহিন ও তার বাহিনীর হামলায় আমি ঘটনাস্থলে অজ্ঞান হয়ে যাই, পরে তারা আমাকে টেনে তাদের অফিসে নিয়ে যায়। আমার জ্ঞান ফিরে আসায় আবারো আমাকে হাত পা বেঁধে মোটা পাইপ দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে পেটাতে থাকে।
আমার পকেট থেকে ৭ হাজার টাকা ও মোবাইল ছিনিয়ে নেয়। দফায় দফায় তাদের মারধরে আমি আবার অজ্ঞান হয়ে যাই।

তবে হামলার বিষয়ে যুবদলনেতা শাহিন জানায়, তিনি এ ঘটনার সাথে জড়িত নহে। তিনি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন করবেন তাই প্রতিপক্ষরা এ ঘটনা ঘটিয়ে তার নাম দিচ্ছে।

চরফ্যাশন থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) খলিলুর রহমান বলেন, ঘটনা শুনে পুলিশের ইমারজেন্সি টিম গিয়ে মারধরের শিকার দুই জামায়াত কর্মীকে উদ্ধার করে। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ট্যাগসমূহ:

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন