‘ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় হবে উত্তরাঞ্চলের জ্ঞান ও সম্ভাবনার আলোকবর্তিকা’

ফন্ট সাইজ:

‘উপাচার্য হওয়াতে আমি কোনো আত্মগৌরব অনুভব করি না বরং এটি একটি কঠিন দায়িত্বভার। সকলের সহযোগিতায় ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি মানসম্মত উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রূপ দিতে চাই’ এমন প্রত্যয়ের কথা জানিয়েছেন ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য, শিক্ষাবিদ, গবেষক ও নাট্যব্যক্তিত্ব ড. ইসরাফিল শাহীন। মঙ্গলবার ঠাকুরগাঁওয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় লিখিত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের উদ্যোগে ঠাকুরগাঁও জেলায় শিক্ষা, চিকিৎসা, যোগাযোগ ও শিল্পায়নের নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা, মেডিক্যাল কলেজ স্থাপন, বিমানবন্দর চালুর উদ্যোগ এবং ইপিজেড গঠনের পরিকল্পনা এ অঞ্চলের মানুষের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। মতবিনিময় সভায় স্থানীয় সরকার ও পল্লীউন্নয়ন মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর-এর ভূয়সী প্রশংসা করেন ড. ইসরাফিল শাহীন। তিনি বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষের সঙ্গে মন্ত্রীর রয়েছে গভীর আত্মিক সম্পর্ক।

ড. শাহীন জানান, গত ৭ মে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রাথমিক প্রশাসনিক কার্যক্রম ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকেই সীমিত পরিসরে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান তিনি। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়কে শুধু একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয় বরং ঠাকুরগাঁওয়ের সম্মান ও পরিচয়ের প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেন। এসময় সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিতে গণমাধ্যমের গঠনমূলক সমালোচনা, মতামত ও পরামর্শ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি সবাইকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন ও সুনাম রক্ষায় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

সবশেষে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদ ও ২০২৪ সালের গণ-আন্দোলনের শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান তিনি। একইসঙ্গে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া-র প্রতিও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এসময় ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. লুৎফর রহমান মিঠু, সিনিয়র সাংবাদিক সাংবাদিক আব্দুল লতিফ, মসিউর রহমান সহ জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।


ট্যাগসমূহ:

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন