বাংলাদেশ সফরে আসতে পারেন শেহবাজ শরিফ, ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির, আলোচনায় যেসব ইস্যু

পাকিস্তান অবজারভারের খবর

বাংলাদেশ সফরে আসতে পারেন শেহবাজ শরিফ, ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির, আলোচনায় যেসব ইস্যু

ফন্ট সাইজ:

বাণিজ্য ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতাকে কেন্দ্র করে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এবং সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির তিন দিনের জন্য বাংলাদেশ সফরে আসতে পারেন। যদিও বিষয়টি পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি, তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো ইঙ্গিত দিয়েছে যে- এ অঞ্চলে বড় ধরনের ভূরাজনৈতিক পরিবর্তনের আভাস দেখা যাচ্ছে। কয়েক দশকের টানাপড়েনের পর ইসলামাবাদ ও ঢাকার মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনর্গঠনের প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ ও সেনাপ্রধানের এই সফর হতে পারে। এ খবর দিয়েছে অনলাইন পাকিস্তান অবজারভার।

প্রস্তাবিত সফরটি এমন এক সময় হতে পারে, যখন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য চীন সফরের কথাও আলোচনায় রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ঘটনাগুলোর এই সময়সূচি আঞ্চলিক কূটনৈতিক বার্তা ও বৃহত্তর কৌশলগত হিসাবের অংশ হতে পারে। সফরটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকায় দুই দেশের আলোচনায় বিস্তৃত ও উচ্চাভিলাষী এজেন্ডা উঠে আসতে পারে। বাণিজ্য সম্প্রসারণ, শিল্প সহযোগিতা, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক যোগাযোগ বৃদ্ধি- সবকিছুই আলোচনায় গুরুত্ব পেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তবে সবচেয়ে বেশি আলোচিত ও সম্ভাব্য বিতর্কিত বিষয় হচ্ছে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকে দুই দেশের মধ্যে এই খাতে সম্পর্ক ঐতিহাসিকভাবে সীমিত। এই সহযোগিতা শুধু অবকাঠামো উন্নয়নেই সীমাবদ্ধ নাও থাকতে পারে; বরং ড্রোন প্রযুক্তি ও ক্ষেপণাস্ত্র-সংক্রান্ত প্রযুক্তিসহ উন্নত সামরিক ক্ষেত্রে প্রযুক্তিগত সহায়তার দিকেও এগোতে পারে। প্রতিরক্ষা শিল্প সহযোগিতার বাইরে, দুই দেশের মধ্যে সামরিক পর্যায়ের সম্পর্ক আরও গভীর করার সম্ভাবনাও আলোচনায় আছে। এর মধ্যে যৌথ প্রশিক্ষণ, প্রতিরক্ষা কর্মীদের আদান-প্রদান এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত সমন্বয় বৃদ্ধির মতো বিষয় থাকতে পারে।
তবে এসব বিষয়ে এখনো কোনো পক্ষই আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি এবং সফরের চূড়ান্ত এজেন্ডা প্রকাশ করা হয়নি।

২০২৪ সালের মাঝামাঝি থেকে পাকিস্তান ও বাংলাদেশ সম্পর্ক উষ্ণ করার দিকে এগিয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্র দাবি করছে। বিশেষ করে ঢাকায় রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রস্থানের পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসন গঠিত হওয়ায় পররাষ্ট্রনীতিতে ভারসাম্য আনার সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। দুই দেশই ধীরে ধীরে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বাড়িয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে উচ্চ পর্যায়ের সফর, ভ্রমণ সুবিধা বৃদ্ধি, সমুদ্র বাণিজ্য রুট পুনরায় চালু এবং বিনিয়োগ ও নিরাপত্তা সহযোগিতার নতুন চুক্তি।

MD. MOMINUL ISLAM

২ মাস আগে

আধুনিক বিশ্বে যে কোন দেশ চাইলে অন্য দেশের সাথে তাদের কমন ইন্টারেস্ট বিবেচনা করে সম্পর্ক গড় তুলতে পারে। বাংলাদেশ তার পররাষ্ট্রনীতি প্রনয়নের জন্য সব সময় আমেরিকা আর ভারতের দিকে চেয়ে থাকে। এই অবস্থা প্রমাণ করে বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত কার্যকর নীতি প্রনয়নে বাংলাদেশ প্রকৃত স্বাধীনতা লাভ করেনি। এখন সময় এসেছে এই বৃত্ত ভেংগে ফেলার। এই দেশে প্রকাশ্যে ভারতের হস্তক্ষেপে গড়ে উঠা একটা বিশেষ ভারতীয় দাস গোষ্ঠী আমাদের এই কাজে সবচেয়ে বড় বাঁধা হিসাবে রাষ্ট্রীয় চুক্তি এবং নীতি প্রণয়ন করেছে। বাংলাদেশকে বুঝতে হবে, সামরিক শক্তি অর্জন হচ্ছে স্বাধীন পররাষ্ট্রর নীতির প্রধান শর্ত। একটা শক্তিশালী বাংলাদেশের সীমান্তে অবশ্যই গুলি বন্ধ হয়ে যাবে যদি বাংলাদেশে একটা কার্যকর সেনাবাহিনী এবং পররাষ্ট্র নীতি গড়ে তুলতে পারে। এর বিকল্প হিসাবে যারা আলোচনা, চুক্তি, রাজনৈতিক বন্দবস্তের কথা বলে তারা আসলে এদেশে লুকিয়ে থাকা ভারতীয় দাসত্বের এজেন্ট। এসব আমাদের নিরাপত্তার গ্যারান্টি হতে পারেনা। আলোচনা, চুক্তি ইত্যাদি তখনই কাজ করবে, যখন দেশ হবে সামরিক ভাবে শক্তিশালী এবং তার পাশে থাকবে শক্তিশালী বন্ধুদের উপস্থিতি।

Nadim Ahammed

২ মাস আগে

বাংলাদেশ পরমাণু অস্ত্রের বিস্তার রোধ চুক্তিতে (NPT) স্বাক্ষরকারী একটি দেশ। বাংলাদেশ কেবল শান্তিপূর্ণ ও বেসামরিক উদ্দেশ্যে (যেমন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র) পারমাণবিক প্রযুক্তি ব্যবহারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সাধারণত একক কোনো সামরিক ব্লকে যোগ না দিয়ে বহুপাক্ষিক কূটনীতি এবং নিজস্ব প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দেয়।

Nam Nai

২ মাস আগে

To defend Bangladesh Against India under Modi , Bangladesh has no choice but to make strong Economic, Political & Military alliance BD-China-PAK-Turkey ( it is already Underway ) . We do not want to Fight with India but Constant Threats, Hatred towards Bangladesh must be Answered befittingly . Slavery & one sided Friendship ( as Hasina did ) must be Stopped , with our Growing Economy ( it will grow 3 times as fast India to reach $2.5 Trillion by 2045 ) - We need to challenge India Militarily . When PAK advances from West , China from North , BD must cut off Chicken Neck then advance from East .

মুহাম্মদ ইবরাহীম

২ মাস আগে

প্রত্যাবতর্ণে ইচ্ছুক অবাংগালূী বিহারিদের ফিরিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে আলোচনা হওয়া চাই।

Shaheen

২ মাস আগে

সেই আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে, গত ৫০ বছর ধরে বৈধ কাগজপত্র ছাড়া পাকিস্তানে বসবাসরত প্রায় ৩০ লক্ষ বাঙালির নিজ মাতৃভূমিতে প্রত্যাবর্তনের বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনায় আসতে পারে।

Shah Alam Bhuiyan.

২ মাস আগে

মোদির একরোখা পররাষ্ট্র নীতি এবং উগ্র হিন্দুত্ববাদ রুখে দেয়ার এখন ই সময়। আঞ্চলিক অখন্ডতা রক্ষা এবং ভূ - রাজনৈতিক ভারসাম্য রক্ষায় চীন এবং পাকিস্তানের সাথে সম্পর্ক জোরদারের কোন বিকল্প নেই। সুতরাং এই সফর খুবই যোক্তিক এবং জরুরি।

জাহেদ আনোয়ার

২ মাস আগে

আধুনিক বিশ্ব রাজনীতিতে স্থায়ী মিত্র বা স্থায়ী শত্রু বলে কিছু নেই। ভারত ও পাকিস্তানের সাথে আমাদের ভারসাম্যময় ভু রাজনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখতে হবে ৷ গত দেড় দশক বাংলাদেশ স্বাধীন পররাষ্ট্র নীতি প্রয়োগ করতে পারেনি।

no need, i am man.

২ মাস আগে

1972 saal thikay 2025 saal porjontoo indian BSF Bahini kotojon Bangladeshi Manush kea ''Hotta'' koreasea ta jana Darker.

not interested

২ মাস আগে

very good decision...well come them with both hands.......nuclear arms deal should be on the Agenda.....Pakistan is the main player in the region now has relation with both USA and China....out Atels in MOFA understands this???......only way to contain India

Zakiul Islam

২ মাস আগে

পাকিস্তানের পরমানু বোমার কারণে, উগ্র বাদী মোদি- অমিত , বিজেপিরা, দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া কে ভারত ভুক্ত করতে পারেনি । আমাদের স্বাধীনতা রক্ষা করতে বাংলা - পাক ঘনিষ্ঠ সামরিক সহযোগিতা গড়ে তুলতে হবে । পরমানু কর্ম সুচী , ক্ষেপ নাস্ত্র , ড্রোন সব বিষয়েই কর্ম সূচি নিয়ে আমাদের সামনে এগোতে হবে ।

মন্তব্য করুন