শাহরাস্তিতে পিতার খনন করা খাল পুনঃখনন করবেন তারেক রহমান

ফন্ট সাইজ:

চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে প্রায় ৪৮ বছর পর আবারো আলোচনায় এসেছে ঐতিহাসিক খোর্দ্দ খাল। ১৯৭৭-৭৮ সালে তৎকালীন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যে খালখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেছিলেন, সেই খালের পুনঃখনন কাজ এবার উদ্বোধন করতে যাচ্ছেন তারই সুযোগ্যপুত্র প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামীকাল শাহরাস্তির উয়ারুক এলাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন তিনি।

সংশ্লিষ্টদের মতে, এটি শুধু একটি খাল পুনঃখনন কর্মসূচি নয়, বরং গ্রামীণ উন্নয়ন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও জলাবদ্ধতা নিরসনে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের উন্নয়ন দর্শনের ধারাবাহিকতার প্রতিফলন। স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ের ভঙ্গুর অর্থনীতি মোকাবিলা এবং খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের লক্ষ্যে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দেশের বিভিন্ন এলাকায় খাল খনন, পুনঃখনন ও স্বেচ্ছাশ্রমভিত্তিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড হাতে নিয়েছিলেন। শাহরাস্তির উয়ারুক এলাকার খোর্দ্দ খাল খনন কর্মসূচিও সে সময় ব্যাপক আলোচিত হয়েছিল। দীর্ঘদিন সংস্কার ও খনন কাজ না হওয়ায় খালটির বিভিন্ন অংশ ভরাট হয়ে যায়। পুনঃখননের মাধ্যমে খালটির স্বাভাবিক পানি প্রবাহের গতি ফিরে আসবে, কৃষি জমিতে সেচ সুবিধা বৃদ্ধি পাবে এবং স্থানীয় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে সংশ্লিষ্ট অংশীজন মনে করেন। এ বিষয়ে চাঁদপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য লায়ন ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হক বলেন, হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তির মানুষের প্রত্যাশা অনেক বেশি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনগণের সেই প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দিয়ে গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষিনির্ভর অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে খাল খনন কর্মসূচিকে নতুনভাবে গুরুত্ব দিচ্ছেন। খোর্দ্দ খালের পুনঃখনন এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল।

উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি আয়েত আলী ভূঁইয়া বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এ সফর শাহরাস্তিবাসীর জন্য অত্যন্ত আনন্দ ও গৌরবের। খাল পুনঃখননের মাধ্যমে এলাকার কৃষি, পানি ব্যবস্থাপনা ও জনজীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে আমরা আশাবাদী। উপজেলা বিএনপি’র সহ-সভাপতি আবু ইউসুফ রুপন পাটোয়ারী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আগমন নিঃসন্দেহে চাঁদপুর-৫ আসনের মানুষের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। খোর্দ্দ খালের পুনঃখনন শুধু উন্নয়ন কর্মকাণ্ড নয়, এটি জনগণের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার বাস্তবায়ন। উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক সেলিম পাটোয়ারী লিটন বলেন, সরকার গঠনের অল্প সময়ের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রীকে শাহরাস্তিতে পেয়ে আমরা উচ্ছ্বসিত। আশা করছি, এই সফরের মাধ্যমে এলাকার বিভিন্ন উন্নয়ন দাবিও পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের পথে এগোবে। স্থানীয়দের ধারণা, খোর্দ্দ খালের পুনঃখননের মাধ্যমে উয়ারুক ও আশপাশের এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনের পাশাপাশি কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সংরক্ষণ এবং গ্রামীণ অর্থনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার হবে।



ট্যাগসমূহ:

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন