সাতকানিয়ায় বিধবার সম্পত্তি দখলের চেষ্টার অভিযোগ

ফন্ট সাইজ:

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় এক বিধবা নারীর স্বামীর পৈতৃক সম্পত্তি দখলের চেষ্টা এবং এলাকা ছাড়ার হুমকির অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে মঙ্গলবার রাতে কেরানীহাটে একটি রেস্টুরেন্টে ভুক্তভোগী রিজিয়া বেগম প্রশাসনের কাছে নিজের ও সন্তানদের জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন। লিখিত বক্তব্যে রিজিয়া বেগম জানান, তার স্বামীর পৈতৃক ও দলিলমূলে প্রাপ্ত সম্পত্তি বর্তমানে জনৈক ইকবাল গংয়ের দখলে রয়েছে। পক্ষান্তরে তিনিও ইকবাল গংয়ের জায়গায় বর্তমানে বসবাস করছেন। তবে তা প্রাপ্য দলিলমূলে প্রাপ্ত সম্পত্তির চেয়ে অর্ধেকের কম। কিন্তু তার দেবরের ছেলে ও স্থানীয় কিশোর গ্যাং লিডার হিসেবে পরিচিত আলী আকবর মিনহাজ দীর্ঘদিন ধরে তাকে ওই বসতবাড়ি থেকে উচ্ছেদের চেষ্টা চালিয়ে আসছে।

তিনি আরও বলেন, মিনহাজ আমাদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেছেন। এ বিষয়ে সাতকানিয়া থানায় কর্মরত এসআই বেলাল হোসেনের তত্ত্বাবধানে থানায় বৈঠক চলাকালে মিনহাজ প্রকাশ্যে স্কুল প্রহরী নুরুল হুদা সুজনকে ঘুষি মেরে মাটিতে ফেলে দেন। পরবর্তীতে তাকে আরেক দফায় বেধড়ক মারধর করেছেন মিনহাজ ও তার সঙ্গীরা। ঘটনার বিষয়ে সুজন বলেন, মিনহাজ থানায় আমাদের সবার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিল। থানা থেকে যখন বৈঠক ডেকেছে তখন আমরা বিষয়টি আপসের উদ্দেশ্যে সেখানে গেছি।

কিন্তু সে অতর্কিতভাবে এসআই বেলালের সামনে আমাকে ঘুষি মেরেছে এবং পরবর্তীতে আরেক দফায় আমাকে মারাত্মকভাবে আঘাত করেছে। এ ছাড়াও রাজনৈতিক ট্যাগ দিয়ে বিতর্কিত করতে চাচ্ছে। যদিও আমার সম্পর্কে সবাই ভালোভাবে জানেন। অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মিনহাজ বলেন, রিজিয়া যে জায়গাটি দখল করে রেখেছেন সেটি কাগজ অনুসারে আমার পৈতৃক সম্পত্তি। সেটার যথেষ্ট প্রমাণ আছে। তাদের জায়গা অন্য দাগে। কিন্তু তারা জোরপূর্বক আমাদের জায়গা দখল করে রেখেছেন। এ ছাড়াও থানায় সুজনরা গায়ে পড়ে ঝামেলা করেছে বিধায় ঝামেলা হয়েছে। তবে থানার বাইরে কোনো ঘটনার সঙ্গে আমি জড়িত নই। থানায় মারামারির বিষয়ে এসআই বেলাল বলেন, ওইদিন সুজনকে ঘুষি মারার বিষয়টি সত্য। কিন্তু থানার বাইরে গিয়ে পুনরায় মারামারি করার বিষয়টি শুনেছি, তবে প্রত্যক্ষদর্শী নই।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন