ফুটবল তারকা লামিনে ইয়ামাল প্রশংসায় ভাসছেন। ফিলিস্তিনি পতাকা উড়ানোর ঘটনায় ফুটবল ভক্ত, মানবাধিকারকর্মী এবং বিভিন্ন খেলোয়াড়ের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা হচ্ছে। তারা প্রশংসায় ভাসিয়ে দিচ্ছেন ইয়ামালকে। বার্সেলোনার লা লিগা শিরোপা জয়ের পর আয়োজিত ওপেন-টপ বাস উদযাপন র্যালিতে ইয়ামালকে ফিলিস্তিনের একটি বড় পতাকা হাতে নিয়ে উড়াতে দেখা যায়।
স্পেনের কাতালোনিয়া অঞ্চলের রাজধানী বার্সেলোনার রাস্তায় হাজারো সমর্থকের সামনে তিনি এই দৃশ্য তৈরি করেন। এর কয়েক ঘণ্টা আগেই এল ক্লাসিকোতে রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে ২-০ ব্যবধানে জয় পেয়ে ক্লাবটি টানা দ্বিতীয় লা লিগা শিরোপা নিশ্চিত করে। এ খবর দিয়েছে অনলাইন আল জাজিরা।
১৮ বছর বয়সী ইয়ামাল গত রোববারের ম্যাচে ইনজুরির কারণে খেলতে পারেননি। তবে পরদিন সতীর্থদের সঙ্গে শিরোপা উদযাপনে যোগ দেন। বাসের ডান পাশে রেলিংয়ের কাছে দাঁড়িয়ে তাকে স্বাভাবিকভাবে হাসিমুখে পতাকা নাড়তে দেখা যায়। এই ভিডিও দ্রুত সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। ফুটবল ভক্ত, বিশ্লেষক, অ্যাথলেট ও মানবাধিকারকর্মীরা তার এই পদক্ষেপকে প্রশংসা করেন।
গাজার এক ফিলিস্তিনি শিক্ষার্থী মুহাম্মদ আকরাম লিখেছেন- অনেকের কাছে এটি শুধু একটি সাধারণ ইশারা মনে হতে পারে। কিন্তু গাজায় এটি এমনভাবে হৃদয়ে পৌঁছে যায় যা শব্দে প্রকাশ করা যায় না। ধন্যবাদ, লামিনে ইয়ামাল। গাজা থেকে বলছি তুমি আমাদের ভালোবাসার মানুষ।
ব্রাভো লামিনে ইয়ামাল: ফিলিস্তিন পতাকা গত আড়াই বছরে বিশ্বের শত শত শহরে বিক্ষোভ ও সমর্থন সমাবেশে উত্তোলিত হয়েছে। বিশেষ করে গাজার মানুষের প্রতি সংহতির প্রতীক হিসেবে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। গাজাবাসী ৭ অক্টোবর ২০২৩-এর পর থেকে চলমান সংঘাতে ভয়াবহ মানবিক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। এর প্রেক্ষাপটে ইয়ামালের পদক্ষেপকে অনেকেই প্রতীকী সমর্থন হিসেবে দেখছেন। কিছু মানবাধিকারকর্মী মনে করেন, এই ধরনের একক মুহূর্তও জনসমর্থন ও সচেতনতা তৈরিতে বড় ভূমিকা রাখতে পারে।
