ইমরান খানকে হাসপাতালে নিতে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন

ইমরান খানকে হাসপাতালে নিতে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন

ফন্ট সাইজ:

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের বোন ডা. উজমা খান সোমবার সুপ্রিম কোর্টে একটি আবেদন করেছেন। এতে তিনি ইসলামাবাদ হাইকোর্টের সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করেছেন, যেখানে ইমরান খানকে শিফা ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে স্থানান্তর, তার ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের প্রবেশাধিকার, পরিবার ও আইনজীবীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং পরিবারের কাছে চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্য দেয়ার আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হয়েছিল। এ খবর দিয়েছে অনলাইন ডন।

জ্যেষ্ঠ আইনজীবী উজাইর কারামত ভান্ডারির মাধ্যমে দাখিল করা আবেদনে বলা হয়, আবেদনকারী ইসলামাবাদ হাইকোর্টের কার্যক্রমে পক্ষ ছিলেন না, তবে তিনি ওই রায়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এ বিষয়ে এইচ এম সায়া মামলায় সুপ্রিম কোর্টের একটি রায়ের উল্লেখ করা হয়, যেখানে কোনো ডিক্রি বা আদেশে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সুপ্রিম কোর্টে তা চ্যালেঞ্জ করতে পারেন বলে বলা হয়েছিল।

আবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে ইমরান খান ও তার স্ত্রী আদিয়ালা কারাগারে বন্দি আছেন। আর তার দুই ছেলে বিদেশে থাকেন। আবেদনকারী তার বোন এবং পেশায় একজন চিকিৎসক হওয়ায় ভাইয়ের প্রতি তার স্বাভাবিক ভালোবাসা ও স্নেহ রয়েছে। তিনি ইমরানের স্বাস্থ্য ও সুস্থতা নিয়ে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন, যা বিবাদীপক্ষের কর্মকাণ্ড ও অবহেলার কারণে ঝুঁকির মুখে পড়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়েছে, পাকিস্তানে আবেদনকারীই ইমরান খানের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ আত্মীয়। তাই এই আপিল দায়ের করার আইনগত অধিকার তার রয়েছে।
আবেদনে উল্লেখ করা হয়, কারা কর্তৃপক্ষ একগুঁয়েভাবে ইমরান খানের স্বাক্ষরিত ওকালতনামা আইনজীবীর কাছে পৌঁছে দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। ফলে তিনি এ পর্যন্ত বিতর্কিত রায়ের বিরুদ্ধে নিজে আবেদন করতে পারেননি। এতে বলা হয়েছে, হাইকোর্টের রায় বাতিল না হলে তা সরাসরি আবেদনকারীর মামলার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই আবেদনকারী ওই রায়ে ক্ষুব্ধ এবং তা চ্যালেঞ্জ করার আইনগত অধিকার রাখেন।

সুপ্রিম কোর্টের কাছে আবেদন করা হয়েছে, মামলার শুনানি চলাকালে ইসলামাবাদ হাইকোর্টের রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত করা হোক এবং ইমরান খানের পছন্দের চিকিৎসকদের মাধ্যমে তার অবিলম্বে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার নির্দেশ দেয়া হোক। চিকিৎসকদের মধ্যে খুররম মির্জা, অসিম ইউসুফ, ফয়সাল সুলতান ও সামিনা নিয়াজির নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া ইমরান খানকে তার চিকিৎসক, পরিবারের সদস্য এবং আইনজীবীদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ দেয়ার নির্দেশনাও চাওয়া হয়েছে।

ট্যাগসমূহ:

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন