মাদকে ভাসছে গজারিয়া

ফন্ট সাইজ:

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় মাদকবিরোধী অভিযান চললেও থেমে নেই মাদক ব্যবসা। ব্যবসায়ীরা পুলিশ প্রশাসনের প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষ সহযোগিতায় নির্বিঘ্নে চালাচ্ছে ব্যবসা। ফলে মাদকের ভয়ঙ্কর সাম্রাজ্য গড়ে উঠেছে প্রতিটি ইউনিয়নে। বের হলেই মিলছে ইয়াবা, ফেনসিডিল, গাঁজা ও হেরোইনসহ বিভিন্ন মাদক। অন্যদিকে, মাদকে আসক্ত হয়ে সেবনের টাকা জোগাড় করতে যুবকরা করছে চুরি, ডাকাতি ও খুনসহ নানা অপরাধ। অন্যদিকে, মাদক কারবারিরা যুব সমাজকে ধংসের দিকে ঠেলে দিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। জানা যায়, উপজেলা জুড়ে ন্যূনতম ৫০টি স্পটে ইয়াবা, গাঁজা ফেনসিডিল বিক্রি হচ্ছে প্রকাশ্যে। সম্প্রতি শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী ইয়াসিন ও কসাই লিটন (ওরফে বদি লিটন) গ্রেপ্তার হলেও তাদের অবর্তমানে স্ত্রীরা ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করছে।

এ ছাড়া, প্রতিটি ইউনিয়নে রয়েছে তাদের ছোট-বড় মাদক সিন্ডিকেট। এসব স্পটের মধ্যে চর বাউশিয়া মধ্যম কান্দিতে ড্রাইভার উজ্জ্বল কানা, ড্রাইভার খোকা। চর বাউশিয়া ফরাজী কান্দিতে ড্রাইভার খোকা, মিজান, মমিন। চর বাউশিয়া পশ্চিম কান্দিতে বাবু, পোড়াচক বাউশিয়া কামাল, আল-আমীন। পূর্ব নয়াকান্দি দুলাল মিস্ত্রি, লিটন মিয়া। এ ছাড়া, পুরান বাউশিয়ায় রাসেল সরকার, জাহাঙ্গীর প্রধান, আব্দুল্লাহপুর কসাই লিটন (ওরফে ইয়াবা বদি লিটন) জেলহাজতে থাকলেও স্ত্রী রিপা ও ছোট ভাই রাসেল ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করছে।

মুন্সীগঞ্জ জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাইদুর রহমান সাইদ জানান, যুবসমাজ দেশের প্রাণশক্তি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, যুব সমাজকে সঠিক পথ দেখিয়ে একটি মাদকমুক্ত ও বুদ্ধিবৃত্তিক সমাজ গঠন করাই হবে এই সরকারের একটি চ্যালেঞ্জ। গজারিয়া থানার ওসি হাসান আলী জানান, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করা হয়েছে। ইতিমধ্যে অনেক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। গজারিয়াকে মাদকমুক্ত করতে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ বলে জানান তিনি।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন