বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার জন্য সরকারি উদ্যোগে সরবরাহ করা গাড়িটি প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর অলস পড়ে আছে। ব্যবহার না হওয়ায় তা অচল হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। ২০১৮ সালে দেয়া এ গাড়ির জন্য নির্ধারিত প্রকল্প ২০২৪ সালের জুনে শেষ হওয়ার পর থেকে বন্ধ রয়েছে রক্ষণাবেক্ষণ খরচ, জ্বালানি বরাদ্দ এবং চালকের বেতন। ফলে স্থানীয়ভাবে মাঠপর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পরিচালনায় পড়তে হচ্ছে চরম সমস্যায়। পাঁচ বছর মেয়াদি পরিকল্পনার আওতায় গাড়িগুলো দেয়া হয়। ২০২৪ সালের জুনে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর চালক, জ্বালানি ও রক্ষণাবেক্ষণের সব ব্যয় বন্ধ হয়ে যায়। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী গাড়িগুলো সচল রাখতে মাঝে মাঝে স্টার্ট দিতে বলা হয়েছে, তবে এটি স্থায়ী সমাধান নয়।
জানা গেছে, ২০১৮ সালে সারা দেশের উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের জন্য সরকারিভাবে গাড়ি সরবরাহ করা হয়। তবে নির্ধারিত প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধি না হওয়ায় গত বছরের মাঝামাঝি থেকে এসব গাড়ি পরিচালনার ব্যয়ভার বহনে সরকারি বরাদ্দ বন্ধ হয়ে পড়ে। বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার গাড়িটি না চালানোর কারণে তা প্রায় অকেজো হওয়ার উপক্রম। এদিকে, চালক না থাকায় বাধ্য হয়ে বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মোটরসাইকেল বা ভাড়ায় চালিত ঝুঁকিপূর্ণ যানবাহনে করে দায়িত্ব পালন করছেন।
বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মনিরুল হক খান বলেন, প্রকল্প বন্ধ হওয়ার পর থেকে গাড়িটি বন্ধ রাখতে হচ্ছে। সরকারি বরাদ্দ বন্ধ থাকায় গাড়ির তেল, রক্ষণাবেক্ষণ কিংবা চালকের বেতন কিছুই পাওয়া যাচ্ছে না। মাঠপর্যায়ে টিকাদানসহ বিভিন্ন কার্যক্রম তদারকিতে আমাদের নিয়মিত যেতে হয়।
