কুমিল্লার বুড়িচংয়ে এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার কুমিল্লার শিশু সহিংসতা অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক আবদুল হান্নান পাঁচ বছর আগের এ হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডিত ময়নাল হোসেন বুড়িচং উপজেলার ভারেল্লা গ্রামের খোরশেদ আলমের ছেলে। মামলার আরেক আসামি অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় শিশু আদালতে তার বিচার চলছে বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বদিউল আলম সুজন।
মামলার বিবরণে বলা হয়, ২০২১ সালের ২০শে মে আসামি ময়নাল হোসেন প্রথম শ্রেণিপড়ুয়া এক শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা করে। পরে তার লাশ পলিথিনে পেঁচিয়ে ‘ভারেল্লা শাহ ইসরাইল কামেল মাদ্রাসা’র টয়লেটের ট্যাংকিতে লুকিয়ে রাখে। পরদিন ২১শে মে মেয়েটির মা থানায় নিখোঁজের একটি জিডি করেন। ২২শে মে আসামিরা নিহত মেয়েটির ছোট চাচাকে ডেকে জানায় যে, মাদ্রাসার ট্যাংকিতে বস্তাবন্দি একটি মরদেহ পড়ে আছে। পরে সেখানে গিয়ে মরদেহ দেখে চাচা চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন একজনকে (অপ্রাপ্তবয়স্ক) আটক করে।
এরপর তার দেয়া তথ্যে ময়নালকে আটক করে পুলিশ। এ ঘটনায় বুড়িচং থানায় দায়ের হওয়া হত্যা মামলায় ময়নালসহ দু’জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। রায় ঘোষণার পর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বদিউল আলম সুজন বলেন, বাবার জন্য মোবাইলে ফ্লেক্সিলোড করতে যাওয়ার পথে মেয়েটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করে ময়নাল হোসেন। ঘটনাটি প্রমাণ হওয়ায় বিচারক তার মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছেন। অপর আসামি নাবালক হওয়ায় তার বিচার শিশু আদালতে চলছে। আমরা এই রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করছি।
