মোমবাতি জ্বালিয়ে পরীক্ষা

ফন্ট সাইজ:

আকস্মিক কালবৈশাখী ঝড়ে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেল চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা। ফলে মঙ্গলবার সকালে চলমান এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার কেন্দ্রগুলোতে নেমে এসেছে বিপর্যয়। বিদ্যুৎ না থাকায় অন্ধকারাছন্ন কক্ষে মোমবাতি আর টর্চলাইটের আলোয় পরীক্ষা দিতে বাধ্য হয়েছে পরীক্ষার্থীরা। উপজেলার বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্রে খোঁজখবর নিয়ে জানা যায়, পরীক্ষা চলাকালীন প্রচণ্ড ঝড়ের কারণে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকায় কক্ষগুলোতে পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো পৌঁছাতে পারছে না। এর ওপর বিদ্যুৎ না থাকায় ফ্যান বন্ধ হয়ে গুমোট গরম তৈরি হয়েছে, যা পরীক্ষার্থীদের জন্য অসহনীয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেক কেন্দ্রে দেখা গেছে, অন্ধকারে শিক্ষার্থীরা প্রশ্নপত্র পড়তেই হিমশিম খাচ্ছে।

তবে অনেক কেন্দ্রে স্থানীয় ব্যবস্থাপনায় মোমবাতি ও টর্চলাইট ব্যবহার করতে হয়েছে। এ বিষয়ে কথা হলে দশানী মোহনপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি’র কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সজীব চন্দ্র জানান, স্থানীয় ব্যবস্থাপনায় আমার কেন্দ্রের বেশ কয়েকটি কক্ষে মোমবাতি ও টর্চলাইটের ব্যবস্থা করতে হয়েছে। ফরাজীকান্দি কামিল মাদ্রাসার দাখিল পরীক্ষা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম জানান, কিছু শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা নির্বিঘ্নে দেয়ার জন্য আমাকে তাৎক্ষণিক মোমবাতির ব্যবস্থা করতে হয়েছে।

এদিকে অভিভাবকদের মধ্যে এ নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। এক অভিভাবক অভিযোগ করে বলেন, পরীক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বিকল্প বিদ্যুৎ ব্যবস্থা (যেমন জেনারেটর বা আইপিএস) না থাকাটা কর্তৃপক্ষের গাফিলতি। এ ছাড়া ঝাড়ো হাওয়ার কারণে অনেক পরীক্ষার্থী সময়মতো কেন্দ্রে পৌঁছাতেও বাধার সম্মুখীন হয়েছে। এদিকে স্থানীয় বিদ্যুৎ অফিস জানিয়েছে, ঝড়ে লাইনের উপর বড় বড় গাছ ভেঙে পড়ায় বিদ্যুৎ সংযোগ পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। বেশ কিছু জায়গায় বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে যাওয়ায় মেরামতের কাজ শেষ করতে সময় লাগছে।

ট্যাগসমূহ:

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন