নড়াইলে প্রকল্পের কাজ না করে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

নড়াইলে প্রকল্পের কাজ না করে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

ফন্ট সাইজ:

নড়াইল জেলা পরিষদের একটি প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন না করে পুরো টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে প্রকল্পের সভাপতির বিরুদ্ধে। লোহাগড়া উপজেলার শুলটিয়া গ্রামের পশ্চিমপাড়া ঈদগাহের সংস্কারের কাজ সম্পন্ন না করায় এলাকাবাসী জেলা পরিষদের প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন। জানা গেছে, চলতি অর্থ বছরে নড়াইল জেলা পরিষদ থেকে লোহাগড়া উপজেলার নোয়াগ্রাম ইউনিয়নের শুলটিয়া পশ্চিমপাড়া ঈদগাহ সংস্কার কাজে ৩ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়ন করার জন্য শুলটিয়া গ্রামের সাবেক ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আহাদকে সভাপতি করে কমিটি জমা দেয়া হয়। গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে আহাদ মেম্বার জেলা পরিষদ থেকে প্রথম কিস্তির টাকা উত্তোলন করেন।

সেই টাকা হতে সামান্য কিছু খরচ করে যৎসামান্য কাজ করেন। এরপর প্রকল্পে বরাদ্দকৃত টাকার সম্পূর্ণ কাজ না করে অফিসকে ম্যানেজ করে পুরো টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেছেন। এ বিষয়ে গ্রামবাসী জেলা পরিষদে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। সরজমিন দেখা গেছে, ঈদগাহের উত্তর পাশে ইটের গাঁথুনি দিয়ে আংশিক কাজ করা হয়েছে। মাটি ভরাটসহ অন্যান্য কাজ বাকি রয়েছে। গ্রামবাসী এ ব্যাপারে আহাদ মেম্বারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অফিস খরচ, ভ্যাট এবং নেতাদের ম্যানেজ করে যে টাকা ছিল সেই টাকার কাজ করা হয়েছে। আর কোনো টাকা নেই। সে কারণে আর কোনো কাজ করা হবে না বলে সাফ জানিয়ে দেন।

এ ঘটনায় অভিযোগকারী গ্রামের বর্তমান মেম্বার মোস্তাক শেখ, স্বপন মোল্লা, নবীর হোসেন বলেন, ঈদগাহের সংস্কার বাবদ বরাদ্দকৃত ৩ লাখ টাকা হতে মাত্র ৬০-৭০ হাজার টাকার কাজ হয়েছে। বাকি টাকার কাজ না করে পুরো টাকা উত্তোলন করে পিআইসি কমিটির সভাপতি শুলটিয়া চরপাড়ার আহাদ মেম্বার আত্মসাৎ করেছেন। এ ব্যাপারে জেলা পরিষদে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্ত আহাদ বলেন, বরাদ্দকৃত টাকা থেকে ১ লাখ টাকা খরচ করে ঈদগাহের উত্তর পাশে ইটের গাঁথুনি দেয়া হয়েছে। বাকি টাকা দিয়ে ঈদগাহে মাটি ভরাট করা হবে। জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান বলেন, অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করার জন্য ৩ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে।

ট্যাগসমূহ:

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন