একমাত্র ইসলামই পারে সত্যিকার অর্থে মানবাধিকার, বাক-স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে- এমন মন্তব্য করেছেন অরাজনৈতিক আন্দোলন হেযবুত তওহীদের শীর্ষ নেতা এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম। রাজধানী ঢাকায় গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে এই মন্তব্য করেন তিনি।
এ সময় চলমান বিশ্ব পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে হেযবুত তওহীদের এমাম বলেন, বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার লঙ্ঘন ও বাক-স্বাধীনতা হরণের এক পৈশাচিক উৎসব চলছে। একের পর এক মুসলিম রাষ্ট্রের উপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে। জাতিসংঘ সহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো এই অন্যায়ের প্রতিকারে ব্যর্থ হয়েছে। ফিলিস্তিন ও মিয়ানমারে মুসলিমদের ন্যূনতম অধিকারও তারা রক্ষা করতে পারেনি।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট উল্লেখ করে হেযবুত তওহীদের এমাম বলেন, গত দুই বছরে দেশে কয়েকশ’ মবের ঘটনা ঘটেছে। একটি উগ্র ও সামপ্রদায়িক গোষ্ঠী সর্বত্র অরাজকতা সৃষ্টি করে বেড়াচ্ছে।
তিনি প্রচলিত সিস্টেম পরিবর্তনের প্রস্তাব তুলে ধরে বলেন, ইসলামকে বর্তমানে একটি ভীতিকর বিষয় হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। কিন্তু এটি আল্লাহ্ প্রদত্ত সহজ-সরল, ভারসাম্যপূর্ণ জীবনব্যবস্থা। আর এই ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই চলমান অন্যায়-অশান্তির অবসান সম্ভব। তিনি রাষ্ট্রীয়, বিচারিক, সামরিক ও অর্থনীতিক অঙ্গন সহ সর্বত্র আল্লাহ্র বিধান প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান। পরে মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে ঐক্য ও সমঝোতা এবং বিভিন্ন ধর্ম-সমপ্রদায়ের মধ্যে সংলাপ বৃদ্ধিসহ কিছু প্রস্তাবনা তুলে ধরেন।
শনিবার সকালে রাজধানীর পুরানা পল্টনে ফারস হোটেল এন্ড রিসোর্টসে এই গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করা হয়। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন- হেযবুত তওহীদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রুফায়দাহ পন্নী, ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ ও এসএম সামসুল হুদা, ডিইউজে’র সভাপতি মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম, দৈনিক কালবেলার বার্তা বিভাগের প্রধান ও বিশেষ প্রতিবেদক কবির হোসেন, এনটিভি’র প্রধান বার্তা সম্পাদক ফখরুল আলম খান, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মো. আশরাফ আলী, গ্রিন ওয়াচের সম্পাদক মোস্তফা কামাল মজুমদার, দৈনিক মানবজমিন-এর নির্বাহী সম্পাদক শামীমুল হক, বাংলা ট্রিবিউনের বিশেষ প্রতিবেদক এসএম আব্বাস, হেযবুত তওহীদের গণমাধ্যম যোগাযোগ সম্পাদক শারমিন সুলতানা চৈতী, দ্য ফিন্যান্সিয়াল পোস্টের মার্কেটিং বিভাগের ডেপুটি ম্যানেজার মেহেদী হাসান প্রমুখ।

Mofizul
২ মাস আগেহেযবুত তাওহীদ হক এবং সত্য হিজবুত তওহীদের বক্তব্য আমি সৌদি আরব থেকে শুনি। উনাদের প্রত্যেকটা কথা কুরআন থেকে বলে এবং যা বলে সত্য বলে। হিজবুত তাওহীদকে যদি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দেওয়া হয় তাহলেই মনে হয় আল্লাহর কোরআনের আইন প্রতিষ্ঠিত হবে। এবং এরা অরাজনৈতিক একটি সংগঠন তারা রাজনীতি করে না। এবং যাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে আল্লাহর কুরআনের আইন বাস্তবায়ন করা। আমরা চাই আমাদের বাংলাদেশে গণতন্ত্র বাদ দিয়ে আল্লাহর হুকুম যেন কায়েম করা হোক। এই কাজটি করেই যাচ্ছে আমার মনে হয় হেযবুত তাওহীদ অতএব তাদের হাতে রাষ্ট্র ক্ষমতা তুলে দেওয়া হোক।