বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন এক নম্বর ইউনিটটি থেকে ১৫ ঘণ্টা বিদ্যুৎ উৎপাদনের পর বয়লারের টিউব ফেটে গিয়ে আবারো বন্ধ হয়ে গেছে। এ নিয়ে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের তিনটি ইউনিট বন্ধ থাকায় কোনো বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে না। ফলে উত্তরাঞ্চলে ভয়াবহ লোডশেডিং শুরু হয়েছে। এর আগে বুধবার রাত ১০টায় কয়লার সঙ্গে পাথর আসায় বয়লার পাইপ ফেটে কুলিং ফ্যান ভেঙে এক নম্বর ইউনিটটি বন্ধ হয়ে যায়। ৪৮ ঘণ্টা পর শুক্রবার রাত ৮টায় উৎপাদন শুরু হয়।
এরপর ১৫ ঘণ্টা বিদ্যুৎ উৎপাদনে থাকার পর আবারো শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বয়লারের টিউব ফেটে গিয়ে এক নম্বর ইউনিটটি বন্ধ হয়ে যায়। বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, এক নম্বর ইউনিটটি মেরামত করে উৎপাদনে যেতে ৫-৬ দিন লাগতে পারে। অন্যদিকে, তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন দ্বিতীয় ইউনিটটি দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ বছর ধরে বন্ধ রয়েছে। অর্থাৎ যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ২০২০ সালের নভেম্বর থেকে বন্ধ রয়েছে। এটি সচল থাকলে ৬৫ থেকে ৭০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হতো।
কেন্দ্রের সবচেয়ে বড় তিন নম্বর ইউনিটটি। গত বছরের ১৬ই অক্টোবর সকাল ৮টার দিকে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন তৃতীয় ইউনিটের টারবাইন বিকল হয়ে যাওয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। আগামী মে মাসে তৃতীয় ইউনিটটি বিদ্যুৎ উৎপাদনে যেতে পারে বলে প্রধান প্রকৌশলী আবু বক্কর সিদ্দিক আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
