ঢাকার ধামরাইয়ে ঘরে ঢুকে নাহিদা আক্তার (১৬) নামে এক এসএসসি পরীক্ষার্থীকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য শুক্রবার সকালে স্বপন নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ। এর আগে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পৌরসভার লাকুড়িয়াপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় নিহতের গলার চেইন ও কানের দুল খুনিরা নিয়ে যায় বলে জানা গেছে। নিহত নাহিদা ধামরাই সেন্ট্রাল স্কুল থেকে চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছিলেন। তার মা লিজা আক্তার প্রবাসী এবং বাবা নুর হোসেন বরিশালে থাকেন। নাহিদা ধামরাইয়ে নানির সঙ্গে বসবাস করতেন। পরিবারের সদস্যরা জানান, বৃহস্পতিবার বিকালে নাহিদা নিজ ঘরে বসে পড়াশোনা করছিলেন।
এ সময় তার নানি দেলোয়ারা বেগম দুধ আনতে বাইরে যান। যাওয়ার আগে তিনি নাহিদাকে ভেতর থেকে দরজা বন্ধ রাখতে এবং অপরিচিত কাউকে দরজা না খুলতে বলে যান। কিছুক্ষণ পর নানি ফিরে এসে ঘরের দরজা খোলা এবং ঘরে নাহিদা নেই। পরে রান্নাঘরে গিয়ে নাহিদাকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। এ সময় তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন।
পরে নাহিদাকে প্রথমে স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখান থেকে সাভারের গণস্বাস্থ্য মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। স্বজনদের দাবি, নিহতের কানের দুল ও গলার চেইন খোয়া গেছে। এতে ধারণা করা হচ্ছে, হত্যার পেছনে ছিনতাই বা পূর্বপরিকল্পিত ঘটনা থাকতে পারে। ধামরাই থানার ওসি নাজমুল হুদা খান বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহ্রাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।
