কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় কয়েক বছর আগের এক তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে সানি (২২) নামের এক তরুণকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার চরফরাদী ইউনিয়নের হিজলীয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সানি হিজলীয়া গ্রামের কাতার প্রবাসী হাদিউল ইসলামের ছেলে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়- গত বৃহস্পতিবার রাতে সানি হিজলীয়া দক্ষিণ পাড়া মসজিদের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলো। এ সময় আগে থেকে ওত পেতে থাকা একদল যুবক তার ওপর হামলা চালায়। তাদের নেতৃত্বে ছিল একই গ্রামের মফিজুল। হামলাকারীরা সানিকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে উপর্যুপরি কোপানোর সময় তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে গেলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। পরে কিশোরগঞ্জ শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের পরিবার ও স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে- দুই থেকে তিন বছর আগে স্কুলে খেলাধুলা নিয়ে মফিজুলের সঙ্গে সানির বাক্বিতণ্ডা হয়েছিল। পরিবারের দাবি, ওই ঘটনার জেরে মফিজুলের মনে ক্ষোভ ছিল। সেই পুরনো শত্রুতার জেরেই পরিকল্পিতভাবে সানিকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
গণঅধিকার পরিষদ কিশোরগঞ্জ জেলার সাধারণ সম্পাদক হযরত আলী অভি চৌধুরী বলেন- সানি গণঅধিকার পরিষদের শুভাকাঙ্ক্ষী। আমি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। ঘটনার প্রায় ১৮ ঘণ্টা চলে গেলেও খুনি মফিজুল এখনো গ্রেপ্তার হয়নি। তাকে অতিদ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানাই। পাকুন্দিয়া থানার ওসি এসএম আরিফুর রহমান বলেন- পূর্বশত্রুতার জেরে প্রতিপক্ষের লোকজন তাকে হত্যা করেছে বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।
