রায়পুরে প্রচণ্ড গরম আর লোডশেডিংয়ে বিপাকে পোল্ট্রি খামারিরা

রায়পুরে প্রচণ্ড গরম আর লোডশেডিংয়ে বিপাকে পোল্ট্রি খামারিরা

ফন্ট সাইজ:

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে প্রচণ্ড গরম আর ভয়াবহ লোডশেডিংয়ে বিপাকে পোল্ট্রি খামারিরা। প্রতিদিনই মারা যাচ্ছে শত শত মুরগি। রায়পুরে গত কয়েকদিনের টানা তাপপ্রবাহের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে বিদ্যুতের লোডশেডিং। প্রচণ্ড গরমে দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে জনজীবন। তীব্র রোদ ও গরমে খামারগুলোতে মারা যাচ্ছে শত শত মুরগি। তার ওপর ঘন ঘন লোডশেডিং এখন খামারিদের জন্য ‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এতে বড় ধরনের লোকসানের আশঙ্কা করছেন খামারিরা।

জানা যায়, রায়পুর উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে তাপপ্রবাহের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়া লোডশেডিংয়ের কারণে মানুষের স্বাভাবিক জীবন ও ব্যবসা-বাণিজ্য বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। তবে সবচেয়ে বেশি বেকায়দায় পড়েছেন রায়পুর উপজেলার পোল্ট্রি খামারিরা। গ্রামে দিন ও রাতের ১৩ থেকে ১৪ ঘণ্টার বেশি সময় বিদ্যুৎ থাকছে না। রায়পুরে ৩০০টি পোল্ট্রি খামার রয়েছে। এগুলোর মধ্যে ব্রয়লার খামার রয়েছে ২১০টি এবং লেয়ার ও দেশি মুরগির খামার রয়েছে ৯০টি। তীব্র লোডশেডিংয়ের ফলে প্রতিদিনই এসব খামারের মুরগি মারা যাচ্ছে। খামারের ওপর নির্ভরশীল অনেকেই দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। খামারিরা বিদ্যুতের বিকল্প তেল সংকটে পর্যাপ্ত জেনারেটরের ব্যবস্থা করতে না পারায় প্রচণ্ড গরমে হিট স্ট্রোকে প্রতিদিনই বিভিন্ন এলাকার পোল্ট্রি খামারের বিপুলসংখ্যক মুরগি মারা যাচ্ছে। খামারিরা বলছেন, সব কিছু নিয়ে বিপাকে আছি। মুরগিতে ব্যবসার কোনো সম্ভাবনাই দেখছি না।

উল্টো কয়েক গুণ খরচে ক্ষতি হচ্ছে। প্রতিদিনই মারা পড়ছে শত শত মুরগি। ডিমেরও উৎপাদন নেই। পরিত্রাণের কোনো উপায় দেখছি না। উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ আতাউর রহমান বলেন, অতিরিক্ত লোডশেডিং ও তেল সংকটের মধ্যে জেনারেটর দিয়ে মুরগি পালন করা কঠিন। এ জন্য এমন স্থানে খামার তৈরি করতে হবে, যাতে সেখানে পর্যাপ্ত আলো-বাতাস আসতে পারে। এ ছাড়া তীব্র গরমের সময় বিদ্যুৎ না থাকলে মুরগির শরীরে পানি স্প্রে করতে হবে। তাহলে হিট স্ট্রোকে মুরগি মারা যাওয়ার হার কমবে।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন