মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে নেশা করতে দেখে ফেলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে মাদকাসক্ত হেলিম মিয়ার ছুরিকাঘাতে বকুল বেগম নামে এক নারী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন নিহতের জামাতা অদুদ মিয়া, হামলাকারীর ভাতিজা সাইদুল ইসলাম, তার ভাই আমিনুল ইসলামসহ ৪ জন। বুধবার দুপুরে উপজেলার রহিমপুর ইউনিয়নের সিদ্ধেশরপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় স্থানীয়রা ঘাতক হেলিমকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। এদিকে আহতদের উদ্ধার করে মৌলভীবাজার হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন আহতদের মধ্যে অদুদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে। বাকিদের মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
জানা গেছে, বুধবার দুপুরে নিজ ঘরে নেশা করছিলেন হেলিম। এ সময় ঘরের পাশ দিয়ে যাবার সময় তার ভাতিজা আমিনুল উঁকি দিয়ে নেশা করা অবস্থায় দেখে। এতে হেলিম ক্ষিপ্ত হয়ে ধারালো ছুরি দিয়ে আমিনুলকে ধাওয়া করে। এ সময় আত্মরক্ষার্থে পার্শ্ববর্তী বকুল বেগমের ঘরে আশ্রয় নিলে তিনি আমিনুলকে বাঁচানোর চেষ্টা করেন। এ সময় আমিনুল ও বকুলকে হেলিম উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে।
পরে তাদেরকে বাঁচাতে বকুল বেগমের জামাতা অদুদ ও আমিনুলের ভাই সাইদুল এগিয়ে আসলে তাদেরকেও ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায় হেলিম। এতে ঘটনাস্থলেই বকুল মারা যান। পরে স্থানীয়রা হেলিমকে ধরে মারধর করে মুন্সীবাজারে এনে বেঁধে রাখেন। খবর পুলিশ হেলিমকে হেফাজতে নেয়। কমলগঞ্জ থানার ওসি মো. আব্দুল আউয়াল ঘটনাস্থল থেকে জানান, এ ঘটনায় মরদেহ উদ্ধার ও ঘাতককে আটক করা হয়েছে। আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
