বাস ও লঞ্চ ভাড়া পূনর্গঠনের দাবী যাত্রী কল্যাণ সমিতির

বাস ও লঞ্চ ভাড়া পূনর্গঠনের দাবী যাত্রী কল্যাণ সমিতির

ফন্ট সাইজ:

দেশের বাজারে জ্বালানির দাম বেড়েছে। ডিজেলের দামও লিটার প্রতি ১৫টাকা বেড়েছে। এই পরিস্থিতিতে বাস ও লঞ্চ ভাড়া নির্ধারণ কমিটি পুনর্গঠনের দাবী জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যান সমিতি। আজ রোববার বিকালে সড়ক পরিবহন ও সেতু, নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের কাছে এ সংক্রান্ত একটি স্বারকলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি।

স্বারকলিপিতে বলা হয়, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার একযুগেরও বেশি সময় ধরে সড়ক ও নৌ যোগাযোগ সেক্টরে বেসরকারি বাস ও লঞ্চ মালিক এবং শ্রমিক সংগঠনের মাফিয়া নেতাদের সাথে নিয়ে ভাড়া নির্ধারণ, সুযোগ-সুবিধা নির্ধারণ, নীতি ও কৌশল নির্ধারণের যাবতীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। ফলে এই সেক্টরে যাত্রী দুভোর্গ এখন চরমে। বিএনপি সরকার গঠনের পর এখনো বিগত সরকারের পদাঙ্ক অনুসরণ করে আসছে। এমন প্রেক্ষাপটে মধ্যরাতে জ্বালানি তেলের দাম এক লাফে ১৫ শতাংশ বা লিটার প্রতি ১৫ টাকা বৃদ্ধি করা হয়েছে।

এতে আরো বলা হয়, অতীতে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, সড়ক ও নৌ-পরিবহন মন্ত্রনালয়ে ভাড়া নির্ধারণের মত গুরুত্বপূর্ণ জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভিজ্ঞ বা বিশেষজ্ঞ কোন ব্যক্তি বা প্যানেল ছিল না, এখনো নেই। এহেন পরিস্থিতিতে বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ফেডারেশনের প্রভাবশালী নেতারা তাদের মর্জিমত ভাড়া তৈরী করে মন্ত্রনালয়ে এনে প্রদশর্নের মধ্য দিয়ে একচেটিয়া প্রভাব বিস্তার করে অতিরিক্ত ভাড়া লুফে নেন। এতে জনস্বার্থ তথা যাত্রীস্বার্থ চরমভাবে লঙ্ঘিত হয়। সাধারণ মানুষের যাতায়াতের দুভোর্গ বাড়ে।

স্মারকলিপিতে যাত্রী কল্যান সমিতি আরও উল্লেখ করে, আমরা আশাকরি গণমানুষের দল হিসেবে বিএনপি সরকার অতীতের ফ্যাসিস্ট সরকারের নীতি ও কৌশল পরিহার করে জনস্বার্থ প্রাধিকার দিয়ে বাস ও লঞ্চ ভাড়া নির্ধারণে আর্ন্তজাতিক ক্রেতা-ভোক্তা অধিকার আইন অনুসরণ করে বাস ও লঞ্চ মালিক সমিতির সংখ্যানুপাতে যাত্রী ও ভোক্তা সংগঠনের প্রতিনিধি অর্ন্তভুক্ত করে বাস ও লঞ্চ নির্ধারণ কমিটি পুনর্গঠন পূর্বক ভাড়া পূণ:নির্ধারণের উদ্যোগ নিবেন এবং যাত্রী স্বার্থ সংরক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।




কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন