সাত ‘বিদেশি’ নিয়েও হার ব্রাদার্সের

সাত ‘বিদেশি’ নিয়েও হার ব্রাদার্সের

ফন্ট সাইজ:

লীগের বাইলজ অনুযায়ী সাউথ এশিয়ান দেশগুলোর খেলোয়াড়রা লোকাল হিসেবে খেলতে পারবেন। সেই কোটায় গতকাল পিডব্লুডির বিপক্ষে পাকিস্তানের চারজনকে নিয়ে মাঠে নামে ব্রাদার্স ইউনিয়ন। এছাড়া বিদেশি কোটায় গিনির দু’জন এবং সেনেগালের একজনকে মাঠে নামান কোচ ওমর সিসে। সব মিলিয়ে গোপীবাগের ক্লাবটিতে ওই ম্যাচেই শুরুর একাদশে খেলেছেন দেশের বাইরের পাসপোর্টধারী সাতজন। কিন্তু এমন দল নিয়েও তারা হেরেছে পিডব্লুডির কাছে। মুন্সীগঞ্জের ফ্লাইট লে. মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ২-১ গোলে জিতেছে পিডব্লুডি। দুই অর্ধে দুই গোল করেন পিডব্লুডির রাশিয়ান ফরোয়ার্ড মারাত দেভেসা তারেক। ব্রাদার্সের হয়ে এক গোল শোধ দেন শায়েক দোস্ত। লীগে দুই দলের প্রথম দেখায় গোলশূন্য ড্র হয়েছিল।
এদিন একাদশ মিনিটে গোলে প্রথম শট নেয় ব্রাদার্স। বক্সের সামনে থেকে নেওয়া পাকিস্তানী মিডফিল্ডার আলমগীর গাজীর জোরালো শট আশা দেখিয়েছিল ব্রাদার্সকে। তবে পিডব্লিউডির গোলকিপার বাঁ-দিকে ঝাপিয়ে পড়ে কর্নারের বিনিময়ে রক্ষা করেন। তিন মিনিট পর ব্রাদার্সকে ব্যাকফুটে ঠেলে দেন পিডব্লিউডির মারাত দেভেসা তারেক। ডান দিকে দিয়ে উপরে উঠে ব্রাদার্স ডিফেন্ডার সিফাতকে কাটিয়ে বক্সে ঢুকেই ক্রস দেন রাতুল। গোলমুখের সামনে টোকায় বল জালে জড়ান পিডব্লিউডির রাশিয়ান ফরোয়ার্ড। প্রথমার্ধের শেষ দিকে পিডব্লিউডির রক্ষণে চাপ বাড়ায় ব্রাদার্স। ৪৫ মিনিটে গোলে ভালো সুযোগ নেয় দলটি। বাঁ-দিক থেকে আসা শায়েকের ক্রসে আলমগীরের হেডে বল ফিরে আসে পোস্টে লেগে। গোল শোধ দিতে মরিয়া হয়ে ওঠে ব্রাদার্স। চার মিনিটের যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে ফাকা পোস্টেও হেডে গোল করতে পারেননি আলমগীর গাজী। পরের মিনিটে এই ফরোয়ার্ডের আরেকটি নিচু শট ছিল গোলকিপার বরাবর। শেষ পর্যন্ত ১-০ গোলে পিছিয়ে থেকে বিরতিতে যায় ব্রাদার্স। ৬৩ মিনিটে রাতুলের কাছ থেকে বল কেড়ে নেন জামাল। এরপর ব্রাদার্স অধিনায়কের ক্রসে হেডে গোল করে শায়েক দোস্ত দলকে ১-১ সমতায় ফেরান। ৭১ মিনিটে ভালো জায়গায় ক্রস পেয়েও গোল করতে পারেননি পিডব্লিউডির মিডফিল্ডার স্বাধীন। এগিয়ে যেতে দুই দলই বেশ চেষ্টা চালায়। শেষ পর্যন্ত পেনাল্টি হজম করে পিছিয়ে পড়ে ব্রাদার্স। ৮৪ মিনিটে মানাত তারেক বটম কর্নার দিয়ে নিচু শটে পিডব্লিউডিকে পেনাল্টিতে গোল করে ব্যবধান ২-১ করেন। এ জয়ে পিডব্লিউডি বেরিয়ে গেছে রেলিগেশন জোন থেকে। তারা ধরে ফেলেছে ব্রাদার্সকে। ১৩ ম্যাচে তিন জয়, চার ড্র এবং ৬ পরাজয়ে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের আটে উঠে এসেছে সার্ভিসে দলটি। সমান ম্যাচে সমান পয়েন্ট পেয়ে তালিকার সাতে ব্রাদার্স। ২৮ পয়েন্ট নিয়ে সবার উপরে বসুন্ধরা কিংস। সমান ২৫ পয়েন্ট তালিকার দুই ও তিনে থাকা আবাহনী ও ফর্টিসের।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন