কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছে। এ সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বেশকিছু বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়েছে। এছাড়া পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে পাকুন্দিয়া থানার ওসি এসএম আরিফুর রহমানসহ চার পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। শনিবার দুপুরে পাকুন্দিয়া পৌর সদরের টান লক্ষিয়া ও হাঁপানিয়া এই দুই এলাকার মধ্যে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার বিকালে লক্ষিয়া এলাকায় পাকুন্দিয়া পৌর-সদরের টান লক্ষিয়া ও হাঁপানিয়া এলাকার মধ্যে ফুটবল ম্যাচ চলার সময় দু’পক্ষের খেলোয়াড় ও সমর্থকদের কথাকাটাকাটির ঘটনা ঘটে। এর জের ধরে দুইপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং একপর্যায়ে সংঘর্ষ শুরু হয়। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হলেও দুই এলাকার মধ্যে টান টান উত্তেজনা বিরাজ করছিল। শনিবার দুপুরে বিষয়টি নিয়ে পুনরায় দু’পক্ষ মুখোমুখি হলে সংঘর্ষ শুরু হয়। সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালায়। এ সময় দু’পক্ষের ছোড়া ইট-পাটকেলের আঘাতে পাকুন্দিয়া থানার ওসি এসএম আরিফুর রহমান এবং তিন পুলিশ সদস্য আহত হন। এ ঘটনায় উভয়পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হন। এছাড়া এলাকার একটি এনজিও স্কুলসহ বেশকিছু বাড়িঘর ঘটনার সময় ভাঙচুর করা হয়। পরে সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম আরিফুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। পুনরায় অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া এ ব্যাপারে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
পাকুন্দিয়ায় ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, ওসিসহ আহত ২০
স্টাফ রিপোর্টার, কিশোরগঞ্জ থেকে
১৯ এপ্রিল (রবিবার), ২০২৬
লিংক কপি হয়েছে!
ফন্ট সাইজ:
100%
