ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ফিফটি করে আউট সাইফ

ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ফিফটি করে আউট সাইফ

ফন্ট সাইজ:

মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে নিউজিল্যান্ডের দেয়া ২৪৮ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। তবে ওপেনার সাইফ হাসানের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে সেই ধাক্কা সামলে জয়ের পথে এগোচ্ছিল স্বাগতিকরা। ব্যক্তিগত অর্ধশতক পূর্ণ করার পরপরই সাজঘরে ফিরেছেন এই টপ অর্ডার ব্যাটার। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ২১ ওভার শেষে ৩ উইকেটে ১১৫ রান তুলেছে বাংলাদেশ। ক্রিজে আছেন লিটন দাস ও তাওহীদ হৃদয়।

রান তাড়ার শুরুতেই মাত্র ২ রানে জীবন পান সাইফ হাসান। নাথান স্মিথের বলে স্লিপে তার ক্যাচ ছেড়েছিলেন হেনরি নিকোলস। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে লিটন দাসের সঙ্গে গড়েন গুরুত্বপূর্ণ জুটি। ১৯তম ওভারে কিউই মিডিয়াম পেসার ক্লার্কসনকে টানা তিন বাউন্ডারি মেরে ফিফটি স্পর্শ করেন সাইফ। ফিফটির সঙ্গে সঙ্গেই বাংলাদেশের স্কোর শতরান পার হয়। তবে ব্যক্তিগত ফিফটির পরপরই ৫৪ রানে সাজঘরে ফেরেন সাইফ। ১০ ম্যাচের ক্যারিয়ারে এটি সাইফের দ্বিতীয় ওয়ানডে ফিফটি। এর আগে গত অক্টোবরে উইন্ডিজের বিপক্ষে ৮০ রানের ইনিংস খেলেছিলেন তিনি।

লক্ষ্য তাড়ায় নেমে চতুর্থ ওভারেই বড় বিপদে পড়ে বাংলাদেশ। কিউই পেসার নাথান স্মিথের করা ওই ওভারের প্রথম বলে বোল্ড হন তানজিদ হাসান তামিম (২)। ঠিক পরের বলেই ভেতরে ঢোকা সুইংয়ে বোল্ড হন নাজমুল হোসেন শান্ত (০)। এরপর তৃতীয় উইকেটে লিটন ও সাইফ ৭৫ বলে ৫০ রানের জুটি গড়ে দলকে বিপর্যয় থেকে টেনে তোলেন।
এর আগে টসে জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৪৭ রান সংগ্রহ করে নিউজিল্যান্ড। কিউইদের পক্ষে সর্বোচ্চ ৬৮ রান করেন হেনরি নিকোলস। এছাড়া ডিন ফক্সক্রফট করেন ৫৯ রান। বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে দুর্দান্ত ছিলেন পেসার শরীফুল ইসলাম। ১০ ওভারে মাত্র ২৭ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন তিনি। তাসকিন আহমেদ ও রিশাদ হোসেনও পেয়েছেন ২টি করে উইকেট। ১টি করে উইকেট নিয়েছেন মিরাজ ও নাহিদ রানা।



কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন