টিকা পাবে ২ লাখ ৩০ হাজারের বেশি শিশু

কুষ্টিয়ায় শুরু হচ্ছে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন

ফন্ট সাইজ:

কুষ্টিয়া জেলায় ইপিআই কার্যক্রমের আওতায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬ শুরু হতে যাচ্ছে। আগামী ২০শে এপ্রিল থেকে শুরু হয়ে এ কার্যক্রম চলবে ১১ই মে পর্যন্ত। বৃহস্পতিবার সকালে কুষ্টিয়া সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে কুষ্টিয়ার সিভিল সার্জন ডা. শেখ মোহাম্মদ কামাল হোসেন ক্যাম্পেইনের সার্বিক প্রস্তুতি ও গুরুত্ব তুলে ধরেন। এ সময় সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. নাসরিন আক্তার হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইন সংক্রান্ত একটি তথ্যচিত্র উপস্থাপন করেন। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, কুষ্টিয়া জেলা সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলাম, কুষ্টিয়া প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি আল মামুন সাগর, দৈনিক সংবাদের জেলা প্রতিনিধি মিজানুর রহমান লাকিসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। ১ হাজার ৬৯০টি কেন্দ্রে টিকাদান কার্যক্রম সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ক্যাম্পেইন সফল করতে জেলায় ৬টি স্থায়ী ও ১ হাজার ৬৮৪টি অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে একজন করে টিকাদানকারী এবং দু’জন স্বেচ্ছাসেবক দায়িত্ব পালন করবেন। এই ক্যাম্পেইনের আওতায় ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী মোট ২ লাখ ৩০ হাজার ৯২৬ জন শিশুকে টিকা দেয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। উপজেলা ও পৌরসভাভিত্তিক লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী কুষ্টিয়া সদর উপজেলায় ৪৫ হাজার, দৌলতপুর উপজেলায় ৪৭ হাজার ৬১৩, মিরপুর উপজেলায় ৩৩ হাজার ৮৯৩, ভেড়ামারা উপজেলায় ২৪ হাজার ৬৯১, কুমারখালী উপজেলায় ৩৮ হাজার ৮৪৩, খোকসা উপজেলায় ১৪ হাজার ৬ জন শিশুকে টিকা দেয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়াও কুষ্টিয়া পৌরসভায় ১৯ হাজার ৪৫০, ভেড়ামারা পৌরসভায় ২ হাজার ৬৮৬, কুমারখালী পৌরসভায় ৪ হাজার ৫৪৪ জন শিশু। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, গত ১৫ই মার্চ থেকে ১৪ই এপ্রিল পর্যন্ত সময়ে কুষ্টিয়ায় হামে আক্রান্ত সন্দেহে ৫৩৮ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং রোগ প্রতিরোধে টিকাদান কর্মসূচিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে বলে জানানো হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, উপজেলা ও পৌরসভাভিত্তিক মাইক্রোপ্ল্যান অনুযায়ী নির্ধারিত কেন্দ্রগুলোতে পর্যায়ক্রমে টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এজন্য অভিভাবকদের তাদের সন্তানদের নিকটস্থ টিকাদান কেন্দ্রে নিয়ে এসে টিকা দেয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, ক্যাম্পেইন সফলভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে কুষ্টিয়ায় হাম ও রুবেলার সংক্রমণ প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন