ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দিনাজপুরের ৬টি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী ৪০ প্রার্থীর মধ্যে ২৭ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। জাতীয় পার্টি ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সকল প্রার্থীরই জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। প্রদত্ত ভোটের ১২ শতাংশ ভোট না পাওয়ায় এদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। জেলার ৬টি সংসদীয় আসনের নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মো. রফিকুল ইসলাম।
দিনাজপুর-১ (বীরগঞ্জ-কাহারোল) আসন: ভোটার ৪ লাখ ১৭ হাজার ১৩৩। ভোট পড়েছে ৩ লাখ ১০ হাজার ৩৮২টি। বাতিল হয়েছে ৬ হাজার ২৮৭টি। ভোট প্রয়োগের শতকরা হার ৭৪.৪০ শতাংশ। জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে ৪ প্রার্থীর। তারা হলেন- ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী চাঁন মিয়া (৩০৯৫ ভোট), গণঅধিকার পরিষদের রিজওয়ানুল ইসলাম (৩৯৫ ভোট), জাতীয় পার্টির প্রার্থী শাহিনুর ইসলাম (১৫৩০ ভোট) ও জাকের পার্টির প্রার্থী রঘুনাথ চন্দ্র রায় (২২৮০ ভোট)।
দিনাজপুর-২ (বিরল-বোচাগঞ্জ) আসন: ভোটার ৩ লাখ ৭১ হাজার ৪৭৮ জন। ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ২ লাখ ৭৮ হাজার ৩৫ জন। বাতিল হয়েছে ৬ হাজার ৮৩৬টি ভোট। শতকরা হার ৭৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ। জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে ৬ জন প্রার্থীর। তারা হলেন- স্বতন্ত্র প্রার্থী আনোয়ার চৌধুরী জীবন (৩৮৫৭ ভোট), বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী জোবায়ের সাঈদ (১০৪৬ ভোট), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুহা. রেদওয়ানুল কারীম রাবিদ (১০৬১ ভোট), স্বতন্ত্র প্রার্থী (বিএনপি বিদ্রোহী) মো. আ ন ম বজলুর রশীদ (১৫,৬১৮ ভোট), জাতীয় পার্টির প্রার্থী জুলফিকার হোসেন (৪৬৪৭ ভোট), বাংলাদেশ মুসলিম লীগের মোকাররম হোসেন (৪৬১ ভোট)।
দিনাজপুর-৩ (সদর) আসন: ৪ লাখ ১৫ হাজার ৬৩৬ জনের মধ্যে ভোটারধিকার প্রয়োগ করেছেন ২ লাখ ৮৯ হাজার ১৯৫ জন। বাতিল হয়েছে ৫ হাজার ৫৬৭টি ভোট। ভোটের শতকরা হার ৬৯ দশমিক ৫৭ শতাংশ। ৬ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তারা হলেন- বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির অমৃত কুমার রায় (৭০১ ভোট), জাতীয় পার্টির আহমেদ শফি রুবেল (৩৮৩৮ ভোট), বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদের প্রার্থী কিবরিয়া হোসেন (২৮৩ ভোট), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. খাইরুজ্জামান (১৪০৮ ভোট), জনতার দলের প্রার্থী মো. রবিউল ইসলাম (৩৩৭ ভোট), বাংলাদেশ মুসলিম লীগের প্রার্থী লায়লা তুল রীমা (২১৪ ভোট)।
দিনাজপুর-৪ (চিরিরবন্দর-খানসামা) আসন: ৪ লাখ ২১ হাজার ২৭৮ জনের মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ৩ লাখ ৬ হাজার ৯৯১ জন ভোটার। বাতিল হয়েছে ৬ হাজার ৩৬৭টি ভোট। ভোটের শতকরা হার ৭২ দশমিক ৮৭ শতাংশ। জামানত বাজেয়াপ্তরা হলেন- ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. আনোয়ার হোসাইন (১৬৯৯ ভোট), জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. নুরুল আমিন শাহ (৩১৫২ ভোট)।
দিনাজপুর-৫ (পার্বতীপুর-ফুলবাড়ী) আসন: ৪ লাখ ৭৭ হাজার ৫১৬ জনের মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ৩ লাখ ৪১ হাজার ৭৫৮ জন। বাতিল হয়েছে ৮ হাজার ৭১৩টি ভোট। ভোটের শতকরা হার ৭১ দশমিক ৫৬ শতাংশ। ৪ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তারা হলেন- স্বতন্ত্র প্রার্থী (বিএনপি বিদ্রোহী) এস.এম জাকারিয়া বাচ্চু (৪৭২৫ ভোট), জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. কাজী আব্দুল গফুর (১৫০৩ ভোট), স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. রুস্তম আলী (৫৬৭ ভোট) ও মো. হযরত আলী বেলাল (৩০২৭ ভোট)।
দিনাজপুর-৬ (নবাবগঞ্জ-বিরামপুর-হাকিমপুর ও ঘোড়াঘাট) আসন: ৫ লাখ ৫৭ হাজার ৬৯৩ জন ভোটারের মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ৪ লাখ ১০ হাজার ৬১২ জন। বাতিল হয়েছে ৯ হাজার ৪২৪টি ভোট। ভোটের শতকরা হার ৭৩ দশমিক ৬২ শতাংশ। জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে ৫ জন প্রার্থীর। তারা হলেন- বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদের প্রার্থী মো. আবদুল হাকিম (৪৪৯ ভোট), স্বতন্ত্র মো. আব্দুল্লাহ (৪১৮), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. নুর আলম সিদ্দিক (১৬৫৯), জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. রেজাউল হক (২৬৮৯) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. শাহনেওয়াজ ফিরোজ (১৫২)।
দিনাজপুরের ৪০ প্রার্থীর মধ্যে ২৭ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত
দিনাজপুর প্রতিনিধি
১৫ ফেব্রুয়ারি (রবিবার), ২০২৬
লিংক কপি হয়েছে!
ফন্ট সাইজ:
100%
