কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ‘পীর’ শামীম জাহাঙ্গীর ওরফে আব্দুর রহমান হত্যার ঘটনায় ইসলামী ছাত্রশিবির কুষ্টিয়া জেলা শাখার সাবেক সভাপতি ও দৌলতপুর উপজেলা জামায়াতের কর্মপরিষদের সদস্য খাজা আহম্মেদ (৩৬)কে প্রধান আসামি করে ২০০ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের তিনদিন পর সোমবার রাত ১১টায় ৪ জনের নাম উল্লেখ করে দৌলতপুর থানায় এ হত্যা মামলা করেছেন নিহতের বড়ভাই অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ফজলুর রহমান সান্টু। মামলার অপর ৩ আসামি বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ দৌলতপুর উপজেলা শাখার সভাপতি ও হোসেনাবাদ বিশ্বাসপাড়া গ্রামের মৃত এরশাদ আলীর ছেলে আসাদুজ্জামান আসাদ (৪৮), ফিলিপনগর এলাকার গাজী মিস্ত্রির ছেলে জামায়াত সমর্থক রাজিব মিস্ত্রি (৩২) এবং স্থানীয় একটি মাদ্রাসার শিক্ষক ও ফিলিপনগর ইসলামপুর গ্রামের সিহাব (সাফি) (৪৫)। এছাড়াও অজ্ঞাত ১৮০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। তবে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হওয়ার ৫দিন পার হলেও ঘটনার সঙ্গে জড়িত কোনো আসামি গ্রেপ্তার হয়নি।
মামলার প্রধান আসামি জামায়াত নেতা খাজা আহম্মেদ বলেন, যে হত্যাকাণ্ড সংঘঠিত হয়েছে সে হত্যাকাণ্ডের আগে বা পিছনে, গোপনে কিংবা প্রকাশ্যে আমার কোন ধরনের দায়বদ্ধতা নাই, আমি কোন ধরনের এক্টিভিটির সঙ্গে সম্পৃক্ত না। এদিকে শিবিরের সাবেক সভাপতি ও জামায়াত নেতা খাজা আহম্মেদকে ‘পীর’ হত্যায় প্রধান আসামি করা ও হত্যাকাণ্ডে জামায়াতের সম্পৃক্ততার কথা উল্লেখ হওয়ায় দৌলতপুর উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মো. বেলাল উদ্দীন ও সেক্রেটারি ডা. আব্দুল্লাহ আল নোমান যৌথ বিবৃতি দিয়েছেন। বিবৃতিতে তারা উল্লেখ করেছেন, ফিলিপনগরের ঘটনা কোন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের অংশ নয়, এমনকি ঘটনার সঙ্গে জড়িত কেউই রাজনৈতিক দলের নেতা বা কর্মী নয়।
স্থানীয়রা আকস্মিকভাবে ঘটনা ঘটিয়েছে, এটা রাজনৈতিক কোন পরিকল্পনার অংশ নয়।
ভেড়ামারা সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দেলোয়ার হোসেন জানান, দরবারে হামলার দিনের ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে আরও ২২ থেকে ২৫ জনকে শনাক্ত করা হলেও এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
দৌলতপুরে পীর হত্যা: ৫ দিনেও গ্রেপ্তার হয়নি আসামি
দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি
১৬ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার), ২০২৬
লিংক কপি হয়েছে!
ফন্ট সাইজ:
100%
