ইমপ্রেস টেলিফিল্ম কর্তৃক প্রকাশিত দেশসেরা বিনোদন পত্রিকা আনন্দ আলো পৌঁছে গেল প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির এক নতুন মাইলফলকে। দুই দশকেরও বেশি সময় পাঠকদের ভালোবাসায় এগিয়ে থাকা সবার প্রিয় পত্রিকা আনন্দ আলো ২১ পেরিয়ে ২২ বছরে পা রাখলো বাংলা নতুন বছরের প্রথম দিন অর্থাৎ পহেলা বৈশাখে। রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে উঠে আসে পত্রিকাটির সাফল্যের গল্প এবং ভবিষ্যৎ প্রত্যাশা ও স্বপ্নের কথা। আনন্দ আলো’র সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি, চ্যানেল আই-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক, বিশিষ্ট শিশুসাহিত্যিক ফরিদুর রেজা সাগরের সভাপতিত্বে আনন্দ ও উৎসবমুখর এই অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী হাশেম খান, বিশিষ্ট নাট্যজন রামেন্দু মজুমদার, চ্যানেল আই-এর পরিচালক ও বার্তা প্রধান শাইখ সিরাজ, পরিচালক জহির উদ্দিন মাহমুদ মামুন, দৈনিক মানবজমিন-এর প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী, বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন, বিশিষ্ট চলচ্চিত্র প্রযোজক হাবিবুর রহমান খান, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব ফরহাদুর রেজা প্রবাল, বিশিষ্ট শিশুসাহিত্যিক আমীরুল ইসলাম, তৃতীয় মাত্রা খ্যাত জিল্লুর রহমান, আনন্দ আলো’র সম্পাদক রেজানুর রহমানসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। বিশিষ্ট অভিনেত্রী, কণ্ঠশিল্পী কুসুম সিকদার অনুষ্ঠানে রবীন্দ্রসংগীত পরিবেশন করেন। অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় ছিলেন খায়রুল বাশার। দৈনিক মানবজমিন-এর সম্পাদক মাহবুবা চৌধুরী, শিশুসাহিত্যিক আনজীর লিটন, বিশিষ্ট সংগীত শিল্পী খুরশিদ আলম, অভিনেতা আজিজুল হাকিম, নাট্যকার জিনাত হাকিম সহ শিক্ষা, সংস্কৃতি ও টেলিভিশন মাধ্যমের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। চিত্রশিল্পী হাশেম খান বলেন, আনন্দ আলো অত্যন্ত উঁচুমানের একটি বিনোদন পত্রিকা। ২১ পেরিয়ে ২২-এ পা রাখলো। দেশের সংস্কৃতির বিকাশ ভাবনায় আনন্দ আলো’র এই জয়যাত্রা অব্যাহত থাকুক এই আমার প্রত্যাশা। রামেন্দু মজুমদার বলেন, ছাপা কাগজ নিয়ে বিতর্ক উঠেছে। আমি মনে করি সময়ের প্রয়োজনেই ছাপা কাগজ থাকবে। ছাপা কাগজেরই জয় হবে। আনন্দ আলো’র জন্মদিনে উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করি। শাইখ সিরাজ বলেন, কাগজের পত্রিকা না ঘাঁটলে পত্রিকা পড়ার সেই আনন্দ খুঁজে পাওয়া যায় না। নতুন নতুন প্রযুক্তি আসবে, কতোটুকু গ্রহণ করবেন, কতোটুকু গ্রহণ করবেন না- সেটা আপনার দায়িত্ব। গত ২১ বছরে আনন্দ আলো দেশের সংস্কৃতির বিকাশ ভাবনায় যে দায়িত্ব পালন করেছে আগামী দিনগুলোতে তা অব্যাহত থাকবে বলে আমার বিশ্বাস।
জহির উদ্দিন মাহমুদ মামুন বলেন, ২১ বৈশাখ পেরিয়ে ২২তম বৈশাখে পা রাখলো সবার প্রিয় পত্রিকা আনন্দ আলো। এটা আমাদের জন্য বিরাট সৌভাগ্যের। দেশের সংস্কৃতিকে আনন্দ আলো যেভাবে ধারণ করে এসেছে আগামীতে তা অক্ষুণ্ন রাখতে হবে।
মতিউর রহমান চৌধুরী বলেন, আমরা যারা সংবাদপত্র চালাই তারা খুব কষ্টে আছি। কষ্টে আছি এই কারণে যে, আমাদের চারদিক থেকে একটা চাপ আসছে। এই চাপের মধ্যে আমরা টিকে থাকবো কিনা তা বলা মুশকিল। তবে আনন্দ আলো টিকে থাকবে বলে আমি আশাবাদী।

ইমদাদুল হক মিলন বলেন, হতাশার কোনো কারণ নেই। কোনো অন্ধকারই আনন্দ আলোকে গ্রাস করবে না। জন্মদিনে আনন্দ আলো’র জন্য রইলো প্রাণঢালা অভিনন্দন।
ফরিদুর রেজা সাগর বলেন, আজকের অনুষ্ঠানে অনেকেই ছাপা পত্রিকার ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলেছেন। আমি মনে করি এনিয়ে হতাশার কোনো কারণ নাই। আমরা প্রিয় সবকিছুর স্পর্শ পেতে চাই। ছাপা পত্রিকা স্পর্শ করে যে আনন্দ তা ডিজিটাল ভার্সনে পাওয়া যায় না। কাজেই আনন্দ আলো তার স্পর্শ দিয়েই পাঠককে আনন্দে রাখবে বলে আমার বিশ্বাস। সম্পাদক রেজানুর রহমান বলেন, আমরা আনন্দ আলোকে নিয়ে বহুদূর যেতে চাই। পাঠক সহ সংশ্লিষ্ট সবাই পাশে থাকবেন আশা করি।
