বাংলাদেশ সফরের আগে নিজেদের ‘দূর্বল’ মানতে নারাজ নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক

বাংলাদেশ সফরের আগে নিজেদের ‘দূর্বল’ মানতে নারাজ নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক

ফন্ট সাইজ:

তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ম্যাচের সিরিজ খেলতে আজ রাতে ঢাকা পৌঁছানোর কথা রয়েছে নিউ জিল্যান্ড ক্রিকেট দলের। কাগজে-কলমে কিউই দলকে দ্বিতীয় বা তৃতীয় সারির মনে হলেও, ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক টম ল্যাথামের মতে তার দলের সবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন। দেশ ছাড়ার আগে কিউই অধিনায়ক জানান, বাংলাদেশ সফরে স্পিন চ্যালেঞ্জ সামলাতে প্রস্তুত তার দল।
ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগ (আইপিএল), পাকিস্তান সুপার লীগ (পিএসএল) এবং চোট-বিশ্রামের কারণে অন্তত ১৫-১৬ জন শীর্ষ তারকাকে ছাড়াই বাংলাদেশে আসতে হচ্ছে নিউজিল্যান্ডের। তবে একে কেবল ‘বি’ বা ‘সি’ দল বলতে নারাজ ল্যাথাম। দেশ ছাড়ার আগে তিনি সাংবাদিকদের মনে করিয়ে দেন, স্কোয়াডের সব সদস্যই কোনো না কোনো সময় জাতীয় দলের হয়ে মাঠ মাতিয়েছেন। তাই অনভিজ্ঞতার চেয়ে দলের ‘গভীরতা’ বাড়ানোই তার মূল লক্ষ্য। ল্যাথামের মতে, কন্ডিশন এবং স্পিনই হবে এই সফরের প্রধান বাধা। তিনি বলেন, ‘আমরা জানি বাংলাদেশে স্পিন বিশাল ভূমিকা পালন করে। নিউ জিল্যান্ডের চেয়ে সেখানকার পরিস্থিতি ভিন্ন। তবে আমাদের সেই ধরনের উইকেটের সঙ্গে মানিয়ে নেয়ার সামর্থ্য আছে। তথ্য সংগ্রহ করে আমরা যথাযথ প্রস্তুতি নিয়েছি।’

মজার বিষয় হলো, বাংলাদেশের মাটিতে সবশেষ পাকিস্তান সিরিজের উইকেট ছিল বেশ স্পোর্টিং ও রান সহায়ক। তবে কিউই অধিনায়ক অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে ধরেই নিচ্ছেন যে মিরপুর বা চট্টগ্রামের ২২ গজ হবে স্পিন-বান্ধব। বিশেষ করে দলের ছয়জন ক্রিকেটার গত বছর নিউজিল্যান্ড ‘এ’ দলের হয়ে বাংলাদেশ সফর করে গেছেন, যা তাদের কন্ডিশন বুঝতে বাড়তি সুবিধা দেবে। দলের সবচেয়ে অভিজ্ঞ ব্যাটার ও স্পিন খেলায় পারদর্শী ল্যাথাম নিজের কাঁধেই বড় দায়িত্ব নিচ্ছেন। ১৬৩ ওয়ানডে খেলা এ তারকা ব্যাটার বলেন, ‘আমি যেহেতু অনেক দিন ধরে খেলছি, তাই ওই ধরনের পরিস্থিতিতে নিজের অভিজ্ঞতার ওপর নির্ভর করতে হয়। আশা করি, এই কন্ডিশনে যারা খেলেছে, তারা কিছুটা অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করতে পারবে।’

আগামী ১৭ই এপ্রিল মিরপুরের শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে প্রথম ওয়ানডের মধ্য দিয়ে শুরু হবে মাঠের লড়াই। ২০শে এপ্রিল দ্বিতীয় ম্যাচ খেলে ওয়ানডে সিরিজের শেষ ম্যাচটি ২৩শে এপ্রিল হবে চট্টগ্রামে। সেখানে টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচ খেলে শেষ ম্যাচ আবার হবে মিরপুরে।

নিউজিল্যান্ড ওয়ানডে দল: টম ল্যাথাম (অধিনায়ক), মুহাম্মদ আব্বাস, আদিত্য আশোক, বেন লিস্টার, জশ ক্লার্কসন, ডেন ক্লেভার, ডিন ফক্সক্রফট, নিক কেলি, জেডেন লেনক্স, হেনরি নিকোলস, উইল ও’রোক, ন্যাথান স্মিথ, ব্লেয়ার টিকনার, উইল ইয়াং।
নিউজিল্যান্ড টি-টোয়েন্টি দল: টম ল্যাথাম (অধিনায়ক), কাটেনে ক্লার্ক, বেন লিস্টার, জশ ক্লার্কসন, ডেন ক্লেভার, ম্যাট ফিশার, ডিন ফক্সক্রফট, বেভন জ্যাকবস, নিক কেলি, জেডেন লেনক্স, টিম রবিনসন, বেন সিয়ার্স, ন্যাথান স্মিথ, ইশ সোধি, ব্লেয়ার টিকনার।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন