গত এক বছরের সংস্কার প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন (পিএসসি)। সোমবার সকালে সাড়ে ১০টায় রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে এক অনুষ্ঠানে তাদের সংস্কার প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
অনুষ্ঠানে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, গণমাধ্যম ও উন্নয়ন সহযোগীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সূচনা বক্তব্য রাখেন পিএসসি’র চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোবাশ্বের মোনেম। এরপর প্রতিবেদনের ওপর গত এক বছরের চ্যালেঞ্জ, অর্জন এবং ভবিষ্যৎ কৌশল তুলে ধরা হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৪ সালের অক্টোবরে পুনর্গঠিত কমিশনটি দায়িত্ব গ্রহণ করে। সে সময় কমিশনটি চারটি আংশিক ও ওভারল্যাপিং বিসিএস পরীক্ষা, নন-ক্যাডার নিয়োগে বড় ধরনের জট এবং পরীক্ষার স্বচ্ছতা সংক্রান্ত কাঠামোগত দুর্বলতা বের করে। প্রথম ১৩ মাসেই কমিশন নিয়োগ জট সম্পূর্ণরূপে নিরসন করে। প্রায় ৩ মাসে দু’টি বিশেষ বিসিএস পরীক্ষা সম্পন্ন করে (যা আগের তুলনায় প্রায় ৭৫% দ্রুত), পরীক্ষার ব্যয় সর্বোচ্চ ৮০% পর্যন্ত কমানো হয়েছে, আবেদন ফি ৭০০ টাকা থেকে ২০০ টাকায় নামিয়ে আনে, ২০২৫–২০২৯ সময়কালের জন্য প্রথমবারের মতো একটি পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত পরিকল্পনা প্রণয়ন করে। যা মেধা, সততা, নিরপেক্ষতা ও দক্ষতার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।
সংস্কার প্রক্রিয়ায় কারিগরি সহায়তা প্রদান করেছে ইউএনডিপি বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশে অবস্থিত সুইজারল্যান্ড দূতাবাস।
পিএসসি’র এক বছরের সংস্কার প্রতিবেদন প্রকাশ
স্টাফ রিপোর্টার
অনলাইন
২ মাস আগে
১৩ এপ্রিল (সোমবার), ২০২৬, ১১ঃ১৯ (পূর্বাহ্ণ)
লিংক কপি হয়েছে!
ফন্ট সাইজ:
100%

রহমান
২ মাস আগেনিঃসন্দেহে পিএসসি 'র প্রশংসনীয় অর্জন | এ অর্জন ধরে রাখতে হবে আগামীতেও |
Shahriar
২ মাস আগেDhore rakhte parbe na. Kon din dekha jabe, BNP PSC er o dokhol niye nibe.