সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী ২৭শে এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যশোরের শার্শা উপজেলায় উলাসী-যদুনাথপুর খালের পুনঃখনন কর্মসূচি উদ্বোধন করবেন। পরে তিনি যশোর মেডিকেল কলেজে ৫০০ শয্যার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী যশোরের শত বছরের পুরাতন ঐতিহ্যবাহী যশোর ইনস্টিটিউট পাবলিক লাইব্রেরি পরিদর্শন শেষে দলীয় জনসভায় ভাষণ দিবেন।
প্রধানমন্ত্রীর যশোর আগমন উপলক্ষে গতকাল ওইসব স্থান পরিদর্শন শেষে এ তথ্য জানান জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। এ সময় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান, পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, এডিসি জেনারেল সুজন সরকার, জেলা বিএনপি’র সভাপতি এডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন, যশোর প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন, সাবেক সহ-সভাপতি নূর ইসলাম, এসএসএফ’র মেজর আশরাফুজ্জামান, যশোর পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ মুরাদ আলী, জেলা যুবদলের সভাপতি এম তমাল আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক আনসারুল হক রানাসহ জেলার সকল সরকারি দপ্তরের প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যশোরে আগমন কেবল আনুষ্ঠানিকতা নয়। এর মাধ্যমে থমকে যাওয়া যশোরের উন্নয়নের চাকা নতুন করে সচল হবে। একইসঙ্গে জেলার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণের রাজনীতি শুরু করতে যাচ্ছে বিএনপি। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর পিতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান নিজ হাতে মাটি কেটে ১৯৭৬ সালে উলাসী-যদুনাথপুর খাল খনন করে এই অঞ্চলের মানুষের মুখে যে হাসি ফুটিয়ে তুলেছিলেন সেই হাসি ফিরিয়ে দিতেই প্রধানমন্ত্রী আগামী ২৭শে এপ্রিল সেই খাল পুনঃখননের কার্যক্রম শুরু করতে যশোর আসবেন। যেটা যশোরবাসীর জন্য অনেক বড় সুসংবাদ। তিনি যশোর বিমানবন্দর থেকে সরাসরি সড়ক পথে উলাশীতে যাবেন এবং স্থানীয় জনগণকে সঙ্গে নিয়ে উলাসী-যদুনাথপুর ৪ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন কার্যক্রম শুরু করবেন। এরপর সেখান থেকে ফিরে মাতা সাবেক প্রধানমন্ত্রী, আপসহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার হাতে তৈরি যশোর মেডিকেল কলেজের ৫০০ শয্যা হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করবেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী মেডিকেল কলেজ চত্বরে এক সুধী সমাবেশে বক্তৃতা করবেন। পরে প্রধানমন্ত্রী যশোর ইনস্টিটিউট পাবলিক লাইব্রেরি পরিদর্শন করবেন। এই পরিদর্শন শেষে তিনি জেলা বিএনপি আয়োজিত যশোর ঈদগাহ ময়দানের জনসভায় যোগ দেবেন। জনসভা শেষে প্রধানমন্ত্রী যশোর ত্যাগ করবেন। প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে গতকাল যশোর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় জেলা কালেক্টর সভা কক্ষে জেলার সকল সরকারি দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে এক জরুরি সভা করেন। সভায় স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের (এসএসএফ) সদস্যরা ছাড়াও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সকল বাহিনীর প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এই সভায় প্রধানমন্ত্রীর যশোর সফর নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
