নাইক্ষ্যংছড়িতে সীমান্ত এলাকায় বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধার

নাইক্ষ্যংছড়িতে সীমান্ত এলাকায় বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধার

ফন্ট সাইজ:

বান্দরবান নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে পৃথক অভিযানে অ্যান্টি-পারসোনেল মাইন, ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস আইইডিসহ বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে বিজিবি। এ ঘটনায় সীমান্তবর্তী এলাকা জুড়ে জননিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। শুক্রবার ভোর পৌনে ৫টার দিকে সীমান্ত পিলার ৫৩ ও ৫৪’র মধ্যবর্তী ছড়াপাড়া এলাকায় এসব সামগ্রী উদ্ধার করে। উদ্ধারকৃত বিস্ফোরণ হলো- ৫টি অ্যান্টি-পারসোনেল মাইন, ৫টি আইইডি, ১টি ডেটোনেটর, ১টি সোলার প্যানেল, বিস্ফোরক তৈরির বিভিন্ন উপকরণ, মোবাইল ফোন ও পাওয়ার ব্যাংক এবং কিছু সিভিল পোশাক।
বিজিবি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ভোরে নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত সড়কে পিলার ৫৩ ও ৫৪’র মধ্যবর্তী ছায়াপাড়া এলাকায় একটি বিশেষ দল অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে চলাচল করতে দেখতে পায়। বিজিবি সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্দেহভাজনরা ব্যাগ ফেলে গহীন পাহাড়ে পালিয়ে যায়। একইভাবে রাতে বাইশফাঁড়ি একটি টহল দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সীমান্ত পিলার ৩৭/২ এস বাংলাদেশ অভ্যন্তরে আমবাগান এলাকায় অভিযান শুরু হয়। এ সময় মালিকানাবিহীন পরিত্যক্ত অবস্থায় দাহ্য পদার্থ উদ্ধার করা হয়। সেগুলো হলো- তিন কেজি দাহ্য পদার্থ, মেপোক্স, নাইলন কাপড় ও দাহ্য রাসায়নিক তরল। কক্সবাজার ৩৪ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম খায়রুল আলম জানিয়েছে, উদ্ধারকৃত মাইন ও আইইডিগুলো তাৎক্ষণিকভাবে বালুর বস্তা দিয়ে নিরাপদ করা হয় এবং লাল পতাকা দিয়ে চিহ্নিত করা হয়েছে।

জননিরাপত্তার স্বার্থে ঘটনাস্থল এলাকায় সাময়িকভাবে যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে এবং অতিরিক্ত টহল জোরদার করা হয়েছে। এ বিষয়ে ১১ বিজিবি’র অধিনায়ক লে. কর্নেল ফয়জুল কবির বলেন, উদ্ধারকৃত বিস্ফোরক সামগ্রী পরীক্ষার জন্য চট্টগ্রামের বিশেষায়িত রাসায়নিক পরীক্ষাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি আরও জানান, সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান, সন্ত্রাসী তৎপরতা ও নাশকতা প্রতিরোধে তাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন