কিশোরী মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে ৯৯৯-এ ফোন মায়ের, গ্রেপ্তার ২

কিশোরী মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে ৯৯৯-এ ফোন মায়ের, গ্রেপ্তার ২

ফন্ট সাইজ:

জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে এক অসহায় মায়ের ফোনকলের পর দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে ১৩ বছর বয়সী এক কিশোরীকে গণধর্ষণের অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- কুমিল্লার কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের অষ্টগ্রাম এলাকার ফয়েজ আহমেদ (২৬) ও রিয়াজ মোল্লা (২১)। বুধবার ৯৯৯-এর পুলিশ পরিদর্শক (গণমাধ্যম ও জনসংযোগ কর্মকর্তা) আনোয়ার সাত্তার এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের তপোবন এলাকা থেকে এক বিধবা ও গৃহকর্মী নারী জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে অত্যন্ত আকুল কণ্ঠে জানান, তার ১৩ বছরের শিশুকন্যা নাঙ্গলকোটের তেতিয়ায় বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিল। গত ১৫ জুন বাড়ি ফেরার পথে ওই নারীর জেঠাতো ভাইয়ের শালাসহ আরও দুইজন পথিমধ্যে মেয়েটিকে একটি অজ্ঞাত স্থানে আটকে রেখে রাতভর গণধর্ষণ করে। সারারাত মেয়ের কোনো খোঁজ না পেয়ে ওই মা চরম উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছিলেন। পরে মেয়েটি মুমূর্ষূ অবস্থায় বাড়ি ফিরে আসলে মা ঘটনার বিস্তারিত জানতে পারেন। তাৎক্ষণিক ৯৯৯ নম্বরে কল করে পুলিশের সাহায্য চান। ৯৯৯ কল সেন্টারে কলটি গ্রহণ করেছিলেন কলটেকার কনস্টেবল শিল্পী এবং পুরো বিষয়টি উদ্ধার সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে তদারক ও সমন্বয় করেন ৯৯৯ পুলিশ ডিসপাচার এসআই আওলাদ হোসেন। ৯৯৯ থেকে তথ্য পাওয়ার পর তাৎক্ষণিক নাঙ্গলকোট থানা পুলিশকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। তিনি আরও বলেন, সংবাদ পেয়েই নাঙ্গলকোট থানার এসআই আলমগীরের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযানে নামেন।

তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় ও স্থানীয় সোর্সের মাধ্যমে অভিযান চালিয়ে পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িত মূল অভিযুক্ত ফয়েজ আহমেদ ও রিয়াজ মোল্লাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ভুক্তভোগী কিশোরীর মা বাদী হয়ে নাঙ্গলকোট থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করেছেন। মামলার অন্য আসামিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং ভুক্তভোগী কিশোরীকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন