বঙ্গোপসাগর এবং উপকূলীয় এলাকায় মাছ ধরায় ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা

বঙ্গোপসাগর এবং উপকূলীয় এলাকায় মাছ ধরায় ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা

ফন্ট সাইজ:

বঙ্গোপসাগর ও সুন্দরবনসহ আশপাশের উপকূলীয় এলাকায় ৫৮ দিনের জন্য সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। আগামী ১৫ই এপ্রিল থেকে ১১ই জুন-২০২৬ পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে বলে জানা গেছে। গত সোমবার ৬ই এপ্রিল বাংলাদেশ সচিবালয়ে ‘জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ-২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ এ তথ্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন, দেশের গুরুত্বপূর্ণ মৎস্যসম্পদ বিশেষ করে ইলিশ সংরক্ষণ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। মন্ত্রী আরও জানান, ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে সরকার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। উৎপাদন বাড়লে বাজারে সরবরাহও বাড়বে, ফলে দাম কমে সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে আসবে ইলিশ মাছ। এ ছাড়া ইলিশের প্রজনন ও জাটকা সংরক্ষণে সচেতনতা বাড়াতে ৭ এপ্রিল থেকে ‘জাটকা উৎপাদন বাড়াই যদি, ইলিশে ভরবে সাগর-নদী’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে শুরু হচ্ছে ‘জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ-২০২৬’ যা চলবে ১৩ই এপ্রিল পর্যন্ত। দেশের ২০টি জেলায় এ কর্মসূচি পালিত হবে এবং চাঁদপুরে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হবে। এদিকে বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার মৎস্য আড়তদার সমিতির সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান মেম্বার বলেন, শরণখোলা উপজেলায় দশ হাজারের বেশি জেলে রয়েছেন যারা বঙ্গোপসাগরসহ উপকূলীয় এলাকার নদ-নদীতে মাছ ধরে। এ ছাড়া সুন্দরবনবেষ্টিত নদীগুলোতে মাছ ধরে থাকেন। ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞায় কয়েক হাজার জেলে বেকার হয়ে পড়বে। নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন যে পরিমাণ সহায়তা দেয়া হয় তা অপ্রতুল। তিনি আরও সহায়তা বাড়ানোর জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। শরণখোলা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অঞ্জন সরকার বলেন, নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন সময় কোস্ট গার্ড ও পুলিশের সহায়তায় উপকূলীয় অঞ্চলে টহল জোরদার করা হবে।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন