বাংলাদেশের নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের ভারত সফরকে গুরুত্বপূর্ণ ও ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সাবেক ভারতীয় হাইকমিশনার বীণা সিক্রি। তিনি মনে করেন, এই সফরের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে সামপ্রতিক সময়ে দুর্বল হয়ে পড়া সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের সুযোগ তৈরি হয়েছে। ভারতীয় বার্তা সংস্থা এএনআই নিউজের সঙ্গে আলাপকালে সিকরি এসব মন্তব্য করেন সিক্রি। বলেন, বাংলাদেশে নতুন সরকার গঠনের পর এই সফর দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারের একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকারকে ভারত স্বস্তির সঙ্গে স্বাগত জানিয়েছে। নির্বাচনে বড় ব্যবধানে জয় পাওয়াকে তিনি স্থিতিশীলতার ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন। তার মতে, জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় আসলে ভারতের জন্য উদ্বেগজনক হতো। তাই নতুন সরকারের আগমনকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখা হচ্ছে। সিক্রি আরও বলেন, সদ্য বিদায় নেয়া ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসের সময়ে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের অবনতি ঘটে। তার দাবি, ওই সময়ে জামায়াতে ইসলামী ‘পর্দার আড়ালের শক্তি’ হিসেবে কাজ করেছে। তার দাবি, ইউনূস সরকারের সময়ে ভারতের সঙ্গে পূর্ববর্তী বিভিন্ন বাণিজ্য ও যোগাযোগ উদ্যোগ থেকে সরে আসা হয়। এসব উদ্যোগের অনেকগুলোই পতিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ১৫ বছরের শাসনামলে বাস্তবায়িত হয়েছিল। নতুন সরকারের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক পুনর্গঠন এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক অগ্রাধিকার বলে মনে করেন বীণা সিক্রি। ড. খলিলুর রহমানের এই সফর সেই প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সব মিলিয়ে, এই সফরকে দুই দেশের মধ্যে আস্থা পুনর্গঠন এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতা বৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে বিবেচনা করছেন সিক্রি।
ড. খলিলের ভারত সফর ইতিবাচক ও গুরুত্বপূর্ণ: বীণা সিক্রি
মানবজমিন ডেস্ক
৯ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার), ২০২৬
লিংক কপি হয়েছে!
ফন্ট সাইজ:
100%
