শায়েস্তাগঞ্জে শপিংমল বন্ধ থাকলেও সরকারি নির্দেশনা মানছেন না ব্যবসায়ীরা

ফন্ট সাইজ:

সারা দেশের ন্যায় হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জেও বিদ্যুৎ সাশ্রয় ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে রাত ৭টার পর শপিং মল ও বিপণিবিতান বন্ধ রাখার সরকারি নির্দেশনা জারি করা হলেও বাস্তবে কোনো প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। নির্দেশনা উপেক্ষা করে গভীর রাত পর্যন্ত খোলা রাখা হচ্ছে অধিকাংশ শপিংমল ও দোকানপাট। ফলে বিদ্যুতের ওপর বাড়ছে অতিরিক্ত চাপ, আর এর খেসারত হিসেবে ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ মানুষ। সরজমিন শহরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, নির্ধারিত সময় অতিক্রম করলেও অধিকাংশ শপিংমল, মার্কেট ও দোকানপাট খোলা রয়েছে। শহরের প্রাণকেন্দ্রসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে ক্রেতা-বিক্রেতাদের উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়। বিশেষ করে পোশাকের দোকান, কসমেটিকস, ইলেকট্রনিক ও মুদি দোকানগুলো রাত ৯টা-১০টা পর্যন্ত খোলা রাখতে দেখা যায়। স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, ব্যবসায়ীরা নিজেদের সুবিধামতো দোকান খোলা রাখছেন। এর প্রভাব পড়ছে আবাসিক এলাকাগুলোতে। একাধিক বাসিন্দা জানান, দিনে গরমের তীব্রতায় অতিষ্ঠ হয়ে রাতে কিছুটা স্বস্তির আশা করেন তারা। কিন্তু ঠিক সেই সময়েই লোডশেডিং হওয়ায় চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। অন্যদিকে ব্যবসায়ীদের দাবি, সন্ধ্যার পরই ক্রেতাদের চাপ বেশি থাকে। নির্ধারিত সময়ের আগেই দোকান বন্ধ করলে তারা আর্থিকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হন। তাই বাধ্য হয়েই তারা দোকান খোলা রাখছেন। তবে এ ক্ষেত্রে বিকল্প কোনো পরিকল্পনা বা সময়সূচি নির্ধারণের দাবি জানান তারা। সচেতন মহলের মতে, শুধুমাত্র নির্দেশনা জারি করলেই হবে না, তা বাস্তবায়নে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি ও নিয়মিত অভিযান প্রয়োজন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ না থাকলে বিদ্যুৎ সংকট আরও তীব্র আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন