হাদি হত্যা

ভারতে গ্রেপ্তার দুই অভিযুক্তকে হেফাজতে রেখে আরও তদন্ত চালিয়ে যেতে চেয়েছে এনআইএ

ফন্ট সাইজ:

বাংলাদেশের ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার প্রধান দুই আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল এবং আলমগীর হোসেনকে ভারতের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনআইএ হেফাজতে রেখে জেরা চালিয়ে যাচ্ছে। দিল্লিতে বিশেষ এনআইএ আদালত দুই অভিযুক্তের রিমান্ড আরও ৯ দিনের জন্য বৃদ্ধি করেছে। ফয়সাল ও আলমগীরকে গত ২৫শে মার্চ পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের হেফাজত থেকে আদালতের নির্দেশে ট্রানজিট রিমান্ডে নয়াদিল্লিতে আনা হয়েছিল। প্রথমবার ১১ দিনের জন্য রিমান্ডে পাঠানো হয়েছিল। সেই মেয়াদ শেষের পর গত শনিবার তাদের এনআইএ বিশেষ বিচারকের সামনে হাজির করা হয়। এনআইএ নতুন তথ্যের আলোকে তদন্ত চালিয়ে যাওয়ার জন্য অতিরিক্ত সময় চাওয়ায় আবেদন করেছিল। এনআইএ আদালতের অতিরিক্ত দায়রা বিচারক প্রশান্ত শর্মা এনআইএ রিমান্ডের মেয়াদ ৯ দিন বাড়ানোর অনুমতি দিয়েছেন।
জানা গেছে, হাদি হত্যার সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততা এবং কাদের নির্দেশে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে- তা খুঁটিয়ে জানার চেষ্টা করছেন ভারতীয় গোয়েন্দারা।
অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ এবং আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে শরীফ ওসমান বিন হাদিকে হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। তারা মেঘালয়ের হালুয়াঘাট সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছিল। তবে বাংলাদেশে ফেরার জন্য তারা গুয়াহাটি ও শিলিগুড়ি হয়ে পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগণার বনগাঁয় এসেছিল। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের এসটিএফ নির্ভরযোগ্য সূত্রের তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে গত ৮ই মার্চ দিবাগত রাতে বনগাঁ থেকে গ্রেপ্তার করেছিল।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১২ই ডিসেম্বর রাজধানী ঢাকার পল্টন এলাকায় মোটরসাইকেলে আসা হেলমেট পরিহিত দুর্বৃত্তরা ওসমান হাদিকে গুলি করে গুরুতর আহত করে। পরে ১৮ই ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।
এদিকে, অভিযুক্তদের ফিরিয়ে আনার জন্য বাংলাদেশ যথোপযুক্ত চ্যানেলে ভারতের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে।


কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন