জাতীয় সংসদ

সড়কমন্ত্রীর উত্তরে ক্ষোভ মনিরুল হক চৌধুরীর

ফন্ট সাইজ:

জাতীয় সংসদে সড়ক পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের উত্তরে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী। রোববার জাতীয় সংসদে জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ নোটিশের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে মনিরুল হক চৌধুরী কুমিল্লার পদুয়ার বাজার এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ও কুমিল্লা-নোয়াখালী সংযোগস্থলের ভয়াবহ পরিস্থিতি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সেখানে অবৈধভাবে দানবীয় ব্যারিকেড স্থাপন, কুমিল্লার প্রবেশপথে টমছম ব্রিজসহ সাতটি স্থানে আন্ডারপাস ও সার্ভিস লেন নির্মিত না হওয়ায় এই স্থানটি মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। তিনি এর প্রতিকার চেয়ে সড়ক পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
এ বিষয়ে মন্ত্রী রবিউল আলম বলেন, মহাসড়কের পদুয়ার বাজার এলাকায় ইউলুপ নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে, প্রকল্পের কাজ অর্ধেক শেষ হয়েছে। এ সময়ে প্রকল্পের ব্যয় বাড়ানোর সুযোগ নেই। তিনি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ১০ লেনে করার জন্য সম্ভাব্যতা যাচাই চলমান রয়েছে বলে জানান। একইসঙ্গে পদুয়ার বাজারসহ মহাসড়কে পাঁচটি আন্ডারপাস নির্মাণ করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান।
সম্পূরক প্রশ্নের সুযোগে মনিরুল হক চৌধুরী মন্ত্রীর বিবৃতিতে ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, আমি প্রশ্ন করেছি সাড়ে ১৭ হাজার কোটি টাকা খরচ হয়েছে। সেখানে আন্ডারপাস কোথায় গেল? ওভারপাসটি কেন হলো না? ব্যারিকেড দিয়ে রাস্তা বন্ধ করে দিলো ২০১৪ সালের নির্বাচনের সময়। এরপর এত লোক মারা গেল, কিন্তু একজনও ক্ষতিপূরণ পায়নি।
জবাবে সড়ক পরিবহনমন্ত্রী বলেন, এই প্রকল্পটি আগে থেকে চলমান আছে। আমরা শুধু নকশা পরিবর্তন করে, বাজেট সমন্বয় করে কাজ করছি। এখন ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ১০ লেন প্রকল্পের ওই অঞ্চলে যানবাহন চলাচলের ক্ষেত্রে শৃঙ্খলা, মোড়গুলোতে প্রচুর যানবাহনকে ম্যানেজ করতে হয়। পূর্ববর্তী সময়ের প্রকল্পে যতটুকু সংশোধন করা দরকার, ততটুকু করতে পারছি, এর বেশি করা সম্ভব হচ্ছে না। সরকার নতুন এসেছে। সংসদ সদস্য আমাকে জ্ঞাত করেছেন। সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের পাঠিয়েছি। সেখানে কিছু পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। আশা করি দ্রুততম সময়ের মধ্যে দৃশ্যমান কিছু দেখতে পাবো।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন