ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানিয়ে দিয়েছেন ইসলামাবাদে আলোচনা হতে পারে শর্তসাপেক্ষে। শনিবার তিনি সেইসব প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করেছেন যেখানে বলা হয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ভবিষ্যৎ আলোচনার জন্য ইরান ইসলামাবাদে যেতে ইচ্ছুক নয়। তিনি জোর দিয়ে বলেন, তেহরানের অবস্থান যেকোনো আলোচনার শর্তাবলীর ওপর নির্ভরশীল। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে এক বার্তায় তিনি বলেন, মার্কিন গণমাধ্যম ইরানের অবস্থানকে ভুলভাবে উপস্থাপন করছে। আমরা পাকিস্তানের প্রচেষ্টার জন্য গভীরভাবে কৃতজ্ঞ এবং ইসলামাবাদে যেতে কখনো অস্বীকৃতি জানাইনি। তিনি আরও বলেন, আমাদের উপর চাপিয়ে দেয়া এই অবৈধ যুদ্ধের একটি চূড়ান্ত ও স্থায়ী সমাপ্তির শর্তাবলীই আমাদের কাছে মুখ্য। তিনি এই মন্তব্যটি করেন দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের একটি প্রতিবেদন প্রকাশের একদিন পর, যেখানে বলা হয় মার্কিন দাবির প্রতি আপত্তি জানিয়ে এবং পাকিস্তানের প্রচেষ্টা থমকে গেছে বলে ইঙ্গিত করে ইরান ইসলামাবাদে আলোচনায় অংশ নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। আরাঘচির বক্তব্যের জবাবে পাকিস্তানের উপ প্রধানমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার এক্স বার্তায় বলেন, স্পষ্ট করার জন্য ধন্যবাদ প্রিয় ভাই আমার।
আরঘাচির এই বক্তব্য এমন এক সময় এলো যখন আলোচনা স্তিমিত হয়ে পড়েছে এবং তেহরান এখনো কোন ইঙ্গিত দেয়নি মধ্যস্থতাকারীদের। পাকিস্তানি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন তারা আলোচনায় অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করার জন্য ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেকশিয়ান এবং আরাঘচির সাথে যোগাযোগ বজায় রাখছেন। শনিবার কূটনৈতিক তদবির অব্যাহত ছিল, যেখানে ইসহাক দার মিশরীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আবদেলাত্তি এবং বাহরাইনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল লতিফ বিন রশিদ আল জায়ানির সাথে পৃথকভাবে টেলিফোনে কথা বলেন। সরকারি ভাষ্যমতে, আলোচনায় আঞ্চলিক ঘটনাবলী, উত্তেজনা হ্রাসের প্রয়োজনীয়তা এবং সংলাপের প্রতি সমর্থন বিষয়ক বিষয়গুলো প্রাধান্য পায়। জায়ানির সাথে কথোপকথনে দার পাকিস্তান-চীনের পাঁচ দফা উদ্যোগের কথা তুলে ধরে বলেন, উপসাগরীয় এবং মধ্যপ্রাচ্যের স্থায়ী শান্তির জন্য এটি কার্যকর হতে পারে। উত্তেজনা প্রশমনে আলোচনা এবং কূটনেতিক পদক্ষেপ প্রয়োজন।

MD Khan
২ মাস আগেইরানের প্রথম শর্ত হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্য থেকে আমেরিকার সামরিক ঘাঁটি পুরোপুরি তুলে নেওয়া। এছাড়া আলোচনা করে কোন লাভ হবে না।